× Banner
সর্বশেষ
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক – ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নবীগঞ্জে আমগাছ থেকে ঝুলন্ত যুবকের মরদেহ উদ্ধার কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং – চীনা রাষ্ট্রদূত এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল ‘সুখের খামার’ প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ গুনভর ইউএসএর কাছ থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক

আজ ১৩ অক্টোবর বুধবার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস

Dutta
হালনাগাদ: বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস

আজ ১৩ অক্টোবর বুধবার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস। দিবসটি উপলক্ষে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে, কাজ করি এক সাথে’।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠিত ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর (সিপিপি) ৫০ বছরে পদার্পণ উদ্যাপন এবং আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত থাকবেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জাতির অগ্রযাত্রার স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার বাস্তব রূপ দিতে দুর্যোগ-ঝুঁকি হ্রাস এবং ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও শোষণমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। দুর্যোগকালীন ক্ষয়ক্ষতি প্রশমনে সব সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত  থাকবে— এ প্রত্যাশা করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২১ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘দুর্যোগ-ঝুঁকি হ্রাসে, কাজ করি একসাথে’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর লালিত ও প্রধানমন্ত্রীর আনুকূল্যপুষ্ট ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) গৌরবময় ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠান উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণের মধ্য দিয়ে আধুনিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ।’

বাণীতে তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৫০ বছরপূর্তিও উদ্যাপিত হচ্ছে।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে দিবসটি উপলক্ষে  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। ব্রিফিংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ এনামুর রহমান বলেন, নদীভাঙ্গনের শিকার ৯ হাজার ৪৪৫টি পরিবারকে দুই শতাংশ জায়গাসহ পাকাঘর করে দেয়া হবে। ইতোমধ্যে এসব গৃহহীনদের তালিকা করা হয়েছে।

নদীভাঙ্গনে রোধে টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে এনামুর রহমান বলেন, সেই ডেল্টা প্ল্যানের মধ্যে একটি হটস্পট হচ্ছে নদী ব্যবস্থাপনা। সেই ব্যবস্থাপনার আওতায় রয়েছে- নদীতে টেকসই বাঁধ দেয়া, নদী খনন করে নাব্য সৃষ্টি করা। ২০৩১ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৩৭ বিলিয়ন ডলার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার প্রতিনিধিরা কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ ও কক্সবাজারের নদীগুলো শাসন করে বন্যা ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সব দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা সফলতা অর্জন করেছি। সরকার বিল্ডিং কোড করেছে। এই কোড মেনে আগামীতে বাড়ি করলে তা ভূমিকম্পসহনীয় হবে। সাত দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পসহনীয় মাত্রায় তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরনো ভবনগুলো ভূমিকম্পসহনীয় করতে জাইকার সঙ্গে একটি সমঝোতা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৫০ বছর মেয়াদী একটা কর্মসূচী গ্রহণ করেছি। ভূমিকম্পসহনীয় না হলে সংস্কারের মাধ্যমে তা ভূমিকম্পসহনীয় করা হবে।

বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ৪৫৬টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করা হয়েছে জানিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটাকে ৫৫০টি উন্নীত করতে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স লোকদের আরও দক্ষ করে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধু ফায়ার সার্ভিস এ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স একাডেমি নামে একটি একাডেমি করার জন্য মুন্সীগঞ্জে ১০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেটার কাজ শুরু হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..