× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস : সরকারি ছুটি, দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, স্মরণ ও নানা কর্মসূচি আজ বুধবার (৫ আগস্ট) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ৫ আগস্ট বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার দেশে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের আড়াই লাখেরও বেশি ব্যক্তি পাবেন মাসিক সম্মানি যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল – পার্থ

পিআইডি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে শহীদদের স্মরণ, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা, জাতীয় ঐক্য সংরক্ষণ এবং ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় ৫ আগস্টকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বার্তায় গণ-আন্দোলনে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, আহতদের প্রতি সম্মান এবং গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ঘটনা হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমজীবী, কৃষক, পেশাজীবী, নারী, শিশু ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ আন্দোলনকে ব্যাপকতা দেয় এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক অধিকার, নির্বাচন ব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং সুশাসন নিয়ে যে বিতর্ক ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় আন্দোলন বিস্তৃত হয়। আন্দোলনের সময় সংঘটিত প্রাণহানি, আহত হওয়ার ঘটনা এবং মানবিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ও বার্তায় স্মরণ করা হয়েছে।

বার্তায় আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগকে জাতির জন্য স্থায়ী প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে তাঁদের পরিবারের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

বার্তায় জাতীয় ঐক্যকে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন বিভাজন বা সহিংসতায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া ভবিষ্যতে দেশে যেন স্বৈরতান্ত্রিক শাসন, রাজনৈতিক সহিংসতা বা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হওয়ার মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

বার্তার শেষাংশে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..