শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে ব্যস্ত ছাপাখানার শ্রমিকরা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ আসছে নতুন বছর ২০১৬। বছরের প্রথম দিনটিই উদযাপন করা হয় পাঠ্যপুস্তক দিবস হিসেবে। ওই দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন দেশের ২৪টি ছাপাখানার শ্রমিকরা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃপক্ষও আশা করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশের প্রতিটি স্কুলে পৌঁছে দেয়া হবে নতুন বই।

মাতুয়াইলের আনন্দ প্রিন্টিং প্রেস। এগিয়ে চলছে বই মুদ্রণ ও বাধাইয়ের কাজ। দম ফেলারও যেন ফুরসত নেই এখানকার শ্রমিকদের। আগামী বছরের প্রথম দিনেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছে দিতে হবে নতুন বই। যে বইয়ের গন্ধেই নতুন প্রাণের ছোঁয়া লাগবে দেশের ৫০৮টি উপজেলার ৯৭ হাজারেরও বেশি স্কুলে।

২০১৬ সালের শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ কোটি ৪৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য এ মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই পৌঁছে দেয়া হবে প্রায় ৩৪ কোটি বই। যেখানে প্রাক প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্যই থাকবে ১১ কোটিরও বেশি বই আর অনুশীলন খাতা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আশা করছেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রতিটি বিদ্যালয়ে পৌঁছে যাবে বই। এর মধ্যেই দেশের প্রাইমারী স্কুল, কিন্ডার গার্টেন, মাদ্রাসা ও এনজিও পরিচালিত স্কুলগুলোতে পৌঁছে গেছে ৩৫ শতাংশ বই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডও বলছেন, জানুয়ারির এক তারিখে নতুন বই বিতরণের মধ্য দিয়ে পাঠ্যপুস্তক দিবস উদযাপন করতে পারবে স্কুলগুলো।

তারা বলছেন এ মাসের ২৫ তারিখ নাগাদ বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হবে নির্ভুল বই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।