আকবরশাহ শহীদ লেইনে প্রশাসনের নাকের ডগায় মুনিরের মাদক সাম্রাজ্য

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম :: আকবরশাহ ইস্পাহানী গেইট সংলগ্ন বস্তি। কেউ বলে শহীদ লেইন, আবার কেউ বলে বিহারী কলোনী। হাজার খানেক পরিবারের বসবাস। তাদের একমাত্র সমস্যা মাদক। প্রশাসনের একপ্রকারের সহায়তায় চলছে মাদক সম্রাট মুনিরের সম্রাজ্য। অন্যতম সহযোগী হিসাবে আছেন তার দুই স্ত্রী নুরজাহান ও ফাতেমা। মাদকের চালান যোগান দেন অসৎ পুলিশ অফিসার খ্যাত জাহাঙ্গীর আলম। এসআই জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন আকবরশাহ থানায় এএসআই হিসাবে কর্মরত থাকলেও বর্তমানে আছে ডিবেতে। মনির গ্রেফতার হয় কিন্তু তার ব্যবসা বন্ধ হয়না। দুই স্ত্রী নুরজাহান, ফাতেমা ও সহায়তাকারী পুলিশ অফিসার জাহাঙ্গীর ঠিকই ব্যবসা চালিয়ে যান। কথাগুলি বলছিলেন ইস্পাহানি গেইট এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী।

এলকাবাসী জানায়, মুনির শহীদ লেইন এলাকার মাদক সম্রাট। ওই এলাকায় যাবতীয় মাদক মুনিরই পাইকারী দামে খুচরা বিক্রেতাদের নিকট বিক্রি করেন। বর্তমানে মুনির জেলহাজতে থাকলেও তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন দুই স্ত্রী নুরজাহান ও ফাতেমা। সার্বিক সহায়তা করে যাচ্ছেন বর্তমানে সিএমপির ডিবিতে কর্মরত এসআই জাহাঙ্গীর আলম। অনেকে বলছেন মুনিরের ছোট স্ত্রী ফাতেমার সাথে জাহাঙ্গীরের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। তার সুবাদে জাহাঙ্গীর তাদের মাদকের যোগানসহ যাবতীয় সহায়তা করে যাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মুনিরের ছত্রছায়ায় শহীদ লেইন এলাকায় যারা খুচরা বিক্রেতা হিসাবে ইয়াবা বিক্রি করে আসছেন তারা হলেন, লেদু , ফিরোজ, জাফর, নবী, জাহাঙ্গীর প্রকাশ লম্বা জাহাঙ্গীর, মিজান প্রকাশ দাড়ি মিজান, বগা জসিম, হায়দার, বাদশা, বরমুনি ও কালি। মদ বিক্রেতারা হলেন, পুষ্পা রানী ও ডিবি সোর্স হিসাবে পরিচিত ফরিদ প্রমুখ।
বিষয়টি নিয়ে আকবরশাহ থানা ওসি আলমগীরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানায়, মুনির জেলহাজতে আছে। নুরজাহান, ফাতেমা ও ডিবির অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানায়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।