× Banner
সর্বশেষ
মালয়েশিয়া সীমান্তে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ৭৩ জন আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে স্পেনের ফুটবল জাদুতে আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ, FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬ শিরোপা লা রোজার ঘরে বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার হবে – আইনমন্ত্রী অসুস্থ এমপি সাবেরা নাজমুনকে দেখতে গেলেন বেনাপোল পৌর বিএনপি নেতৃবৃন্দ: রোগমুক্তি কামনা বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আইএলও’র মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক

মাগুরার নদী গুলো দখল করে চলছে বালু উত্তোলন ও ধান চাষ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৫

মাগুরা প্রতিনিধিঃ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের প্রমত্তা মধুমতি ও গড়াই নদী।

এ নদী দুটির বুকে এখন শুধুই ধুধু বালুচর। প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় তলদেশ ও দু’পাড় ভরাট হয়ে প্রসস্থতা ও গভীরতা কমে নবগঙ্গা, ফটকি ও চিত্রা নদী পরিণত হয়েছে খালে। এ তিনটি নদীর বুকে এখন শুধুই ধানক্ষেত। দখলদারিত্বের শিকার হয়ে কোথাও চলছে বালি কাটার মহোৎসব। কোথাও দখল করে চলছে ধান চাষ।

এমন চিত্র মাগুরার নদীগুলোর বুকে। অথচ মাগুরার উজানের নদী বাঁচিয়ে রাখার জন্য ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্ল্যুইচ গেটটি সুষ্ট পরিকল্পনার অভাবে যথাযথ ব্যবহার না করায় তা কোন কাজে আসছে না। ফলে এ নদী তীরবর্তী প্রায় ৫৫ হাজার হেক্টর জমির সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর ও শ্রীপুর উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের প্রমত্তা মধুমতি ও গড়াই নদী এখন মৃতপ্রায়।

এ দুটি নদী পলি পড়ে এখন শুধু বালুচর। গোটা নদীই এখন অবৈধ বালু উত্তলোনকারীদের দখলে। সব সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে জেলা পর্যায়ের নেতা ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা অব্যহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে বালির ব্যবসা। অতিরিক্ত বালি উত্তলোনের ফলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কামারখালী ব্রীজ ও শ্রীপুর গোয়ালদহ নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে।

অপর দিকে মহম্মদপুর, শালিখা উপজেলা হয়ে মাগুরা জেলা শহরের উপর দিয়ে প্রবাহিত নবগঙ্গা নদীতে পলি পড়ে পরিণত হয়েছে জীর্ণ শীর্ণ খালে।

এ নদীর বুকে চলছে মাইলের পর মাইল ধান চাষ। মাগুরার উজানে শুষ্ক মৌসুমে এটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য শহরের ঢাকা রোডে শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে দু’টি স্ল্যুইচ গেট। ২২ হাজার কিউসেক পানি ধারণ/নিষ্কাশন ক্ষমতা সম্পন্ন গেটটি নির্মাণের দীর্ঘ দেড় যুগ ধরেও কোন কাজে আসেনি।

বর্ষা মৌসুমের শেষ দিকে গেটটি বন্ধ করে রাখলে মাগুরার উজানে নবগঙ্গা, কুমার, গড়াই হয়ে মাথাভাঙ্গা পর্যন্ত দীর্ঘ এ নদী এলাকাকে শুষ্ক মৌসুমে ৪ মাসের অধিক সময় বাঁচিয়ে রাখা হলে মাগুরা, ঝিনেদা, কুষ্টিয়া জেলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় সেচ কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব। নবগঙ্গার মত একই অবস্থা শালিখা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ফটকি ও চিত্র নদীর। এক সময় মাগুরা জেলার মানুষের মাছের চাহিদা মিটাতো এ নদী দু’টি থেকেই।

মাগুরার বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক জনাব মোঃ শামিম আদম্মেদ খান বলেন,‘ফারাক্ক বিরুপ প্রভাব,অপরিকল্পত বাঁধ ও সরকার দলীয় স্থানীয় প্রভাবশালীদের  দখল দারিত্বের কারণে নদীগুলো পানি প্রবাহ ঠিকমতো হচ্ছে না। দখল দারিত্ব মুক্ত করে নদী গুলো  পরিকল্পিত সংস্কার প্রযোজন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..