‘বেদ থেকেই বিজ্ঞানের সৃষ্টি’ জেনে নেই কোন বিজ্ঞানের কে আসল জনক

“বেদ’ই শ্রেষ্ট বিজ্ঞান”। “বেদ থেকেই বিজ্ঞানের সৃষ্টি” অপরা বিদ্যা্ বিজ্ঞান বিদ্যা্ বেদশাস্ত্র হতে গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এই অবদানকে আধুনিক বিজ্ঞান কোনভাবেই স্বীকার করে না। সনাতন ধর্মের সকল গ্রন্থ যে কি মুল্যবান আর তার ভেতর কি তত্ত্ব জ্ঞান লুকিয়ে আছে তা আমরা বেশিরভাগ লোক জানি না। আর সব থেকে বড় কথা আমরা তা জানার চেষ্টাই করিনা কখনো।

ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায় অনু-পরমাণু বিজ্ঞানের জনক মুলত ঋষি কণাদ। আমরা যে কণা নামে চিনি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশকে তা তাঁর নাম থেকেই, তিনি হলেন বৈশেষিক দর্শনের জনক ঋষি কণাদ। ঋষিদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে প্রাপ্ত আবিষ্কারের কথা যেগুলো আধুনিক বিজ্ঞানে অন্যের নামে চালানো হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রাচীন সভ্যতা ও ধর্মীয় বিশ্বাসে বলা আছে যে পৃথিবী সম্পূর্ন স্থির বা নিশ্চল এবং বিভিন্ন বিখ্যাত প্রাচীন দার্শনিক, জ্যোতির্বিদ, বিজ্ঞানি, গণিতবিদ ইত্যাদি ব্যাক্তিবর্গকে দেখা যায় যারা বলে গিয়েছে পৃথিবী স্থির এবং সুর্য এর চারদিকে ঘূর্নায়মান। টলেমী বিশ্বাস করতেন থিওরী অফ জিওছেনট্রিজম এর মতবাদটি হল— পৃথিবী একদম স্থির, আর সূর্য সহ সব গ্রহ-নক্ষত্র গুলো ঘুরছে পৃথিবীর চারিদেকে। এই মতবাদটি ষোড়শ শতাব্দি পর্যন্ত বিজ্ঞান হিসেবে টিকে ছিল। একসময় কোপার্নিকাস প্রমান করেন যে পৃথিবী স্থির না, বরং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহসমূহ সুর্যের চারদিকে ঘূর্নায়মান তবে পৃথিবীর গতি যখন প্রমানিত হয় তখন বিজ্ঞান বলতে লাগল যে সুর্যই সম্পূর্ন স্থির, এবং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহসমূহ সুর্যের চারদিকে ঘুরছে।

বহু সময় পার হওয়ার পর আধুনিক বিজ্ঞান প্রমান করল যে, এই মহাবিশ্বে এমন কোন বস্তু নেই যা পরম স্থিতি বা সম্পূর্ন ভাবে নিশ্চল হয়ে আছে , অর্থ্যাৎ বিজ্ঞান বলে যে সমগ্য সৃষ্টিই গতিশীল। এছাড়াও পৃথিবীর গতি নিয়েও নির্ভুল ভাবে ব্যাখ্যা আছে পবিত্র বেদে। আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের যুগ এই কথা আমরা সবাই জানি। আমরা এই ও জানি যে পৃথিবীর সৃষ্টি ও বিজ্ঞান সম্পর্কে যা কিছুই জানি বিজ্ঞানের মাধ্যমেই এই মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছি।

কিন্তু আমরা কি এটা জানি বিজ্ঞানের ও পূর্বেই যে এক বিজ্ঞান ছিল? আর তা হল সনাতন ধর্মের আদি ও প্রধান ধর্মগ্রন্থ পবিত্র বেদ যা সমগ্র মানবের জন্য পৃথিবীর সমগ্র সৃষ্টির জন্য প্রণীত রয়েছে।

এবার জেনে নেই কে কোন বিজ্ঞানের জনক

বৈদিক বেদশাস্ত্রীয় ঋষি আর্যভট্ট ৪৭৬ খ্রিস্টপূর্বে গণিতশাস্ত্র আর জ্যোতির্বিদ্যা আবিস্কার করেন।

১১৪ থেকে ১১৮৩ খ্রিস্টপূর্ব বীজগণিতে(অ্যালজেবরা) মহা পণ্ডিত ছিলেন ভাস্করাচার্য

৬০০ খ্রিস্টপূর্ব পারমাণবিক তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঋষি কণাদ

ঋষি নাগার্জুন ১০০ খ্রিস্টপূর্ব রাসায়নিক বিজ্ঞান আবিস্কার করেন।

ঋষি চরক ৬০০ খ্রিস্টপূর্বে ঔষধ বিজ্ঞান আবিস্কার করেন।

ঋষি সুশ্রুত ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব অস্ত্রোপচারের পুনঃসংযোজনবিদ (সর্বপ্রথম প্ল্যাস্টিক সার্জেন) ছিলেন।

ঋষি বরাহ মিহির ৪৯৯ থেকে ৫৮৭ খ্রিস্টপূর্ব বিখ্যাত জ্যোতিষী ও জ্যোতির্বেত্তা ছিলেন।

ঋষি পতঞ্জলি ২০০ খ্রিস্টপূর্ব  যোগ পণ্ডিত (ইংরেজিতে yoga) ছিলেন।

ঋষি ভরদ্বাজ ৮০০ খ্রিস্টপূর্ব ব্যোমযান প্রযুক্তিবিদ্যার(বিমান সম্বন্ধী বিজ্ঞান) বিজ্ঞ ছিলেন।

ঋষি কপিল ৩০০০ খ্রিস্টপূর্ব বিশ্বতত্ত্ব/সৃষ্টিতত্ত্বের(কসমোলজি) মহাপণ্ডিত ছিলেন।

ঋষি আর্যভট্টঋষি আর্যভট্ট গণিতশাস্ত্র ও জ্যোতির্বিদ্যার জনকঋষি কণাদঋষি কপিলঋষি কপিল বিশ্বতত্ত্ব/সৃষ্টিতত্ত্বের জনকঋষি চরকঋষি নাগার্জুনঋষি পতঞ্জলিঋষি পতঞ্জলি যোগ পণ্ডিতঋষি বরাহ মিহিরঋষি ভরদ্বাজঋষি ভরদ্বাজ ব্যোমযান প্রযুক্তিবিদ্যার জনকঋষি সুশ্রুতঋষি সুশ্রুত অস্ত্রোপচারের পুনঃসংযোজনবিদঔষধ বিজ্ঞানের আবিস্কারক ঋষি চরককণাদ পারমাণবিক তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতাকসমোলজি মহাপণ্ডিতকসমোলজি মহাপণ্ডিত ঋষি কপিলকসমোলজির জনকগণিতশাস্ত্র ও জ্যোতির্বিদ্যার জনকপারমাণবিক তত্ত্বের জনকপারমাণবিক তত্ত্বের জনক ঋষি কণাদপ্ল্যাস্টিক সার্জনের জনক ঋষি সুশ্রুতবিখ্যাত জ্যোতিষী ও জ্যোতির্বেত্তা ঋষি বরাহ মিহিরবিজ্ঞানের আসল জনকবিমান সম্বন্ধী বিজ্ঞানের জনক ঋষি ভরদ্বাজবিশ্বতত্ত্ব/সৃষ্টিতত্ত্বের জনকবীজগণিতে(অ্যালজেবরা) জনক ভাস্করাচার্যবেদ থেকেই বিজ্ঞানবেদ থেকেই বিজ্ঞানের সৃষ্টিবেদ'ই শ্রেষ্ট বিজ্ঞানবৈদিক বেদশাস্ত্রীবৈদিক বেদশাস্ত্রীয় ঋষি আর্যভট্টব্যোমযান প্রযুক্তিবিদ্যার জনকভাস্করাচার্যযোগ বিজ্ঞানের জনকযোগ বিজ্ঞানের জনক ঋষি পতঞ্জলিরাসায়নিক বিজ্ঞানের আবিস্কারক ঋষি নাগার্জুন

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।