× Banner
সর্বশেষ
মালয়েশিয়া সীমান্তে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ৭৩ জন আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে স্পেনের ফুটবল জাদুতে আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ, FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬ শিরোপা লা রোজার ঘরে বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার হবে – আইনমন্ত্রী অসুস্থ এমপি সাবেরা নাজমুনকে দেখতে গেলেন বেনাপোল পৌর বিএনপি নেতৃবৃন্দ: রোগমুক্তি কামনা বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আইএলও’র মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক

উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত!

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৫

শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো :  উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় অল্প অপ্ল করে শৈত্য প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। একটু একটু করে জেঁকে বসেছে শীত। প্রতিদিনেই বাড়ছে ঠান্ডার মাত্রা। কনকনে ঠান্ডার সাথে কুয়াশা মেশানো হিমেল বাতাসে শীতের তিব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভারী কুশায়ায় ভর দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের।

প্রচন্ড ঠান্ডায় বেকায়দায় পড়েছে শিশু, রোগাআক্রান্ত ও বয়ষ্করা। প্রতিনিয়তই হাসপাতালে ভীর করছে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীরা।  রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে রবিবার পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের আট জেলার তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ১১ ডিগ্রি সে. এ নেমে এসেছে। তবে এ ধরনের শৈত্য প্রাবাহ আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে, হঠাৎ ভারী কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডায় নাজুক এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষ। সেই সাথে দেখা দিয়েছে ঠান্ডা জনিত রোগ। ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল গুলোতে ভীর জমাচ্ছে  রোগী। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিনেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসতে শুরু করেছে ঠান্ডা জনিত রোগীরা। রংপুর মেডিকেল কলেজের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সাইফুল হক জানান, শীতজনিত কারণে শিশুসহ নারী-পুরুষ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগীর সংখ্যাই বেশি। এদিকে, বাংলাদেশের সর্ব উত্তরেই রয়েছে নেপালের হিমালয় পর্বত। সে কারণে শীতের প্রথম প্রকোপটাই নামে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলে। ফলে, অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ পড়েছেন নানান দুর্ভোগে। অসহনীয় ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচার জন্য যেমন নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, তেমনই মোকাবেলা করতে হচ্ছে শীতজনিত নানান রোগ-বালাই। অন্যদিকে, খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষজন গরম কাপড়ের আশায় ছুটোছুটি করছেন সম্ভাব্য জায়গা গুলোতে।

সামর্থবানরা হানা দিচ্ছেন অবস্থা ভেদে রেডিমেড কিংবা পুরনো কাপড়ের দোকানে। এ বিষয়ে রংপুরের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার জানান, চলতি শীত মৌসুমে রংপুর জেলায় প্রায় নয় হাজার শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়েছে। সেই সাথে আরও চাহিদা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে। অন্যদিকে, ঘন কুয়াশায় হেড লাইট জালিয়ে চলাচল করছে ভারী যানবাহন গুলো। আর শীত নিবারন করতে খরকুটোর আগুনে এখন একমাত্র ভরসা নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষের। এমন সূচনীয় মূহুর্তে তাদের পাশে দাড়াতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তারা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..