মধুখালী প্রতিনিধি: মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (মোহন) মাগুরা জেলা ফুলবাড়ী হাজীপুর গ্রামের মোকসেদ মোল্যার মেয়ে ময়না বেগমের সাথে ১৯৯৪ সালের ১৫ ই জুলাই রোজ রবিবার বিবাহ হয়। ময়নার স্বামী একজন পুলিশ।
বর্তমান কাশীয়ানী থানায় চাকুরী করেন। বিবাহের পর ময়না সুন্দরভাবে স্বামীর সংসার করে আসছিল। ময়নার কোলে ২ টি মেয়ে সন্তান আছে। বড় মেয়ে বিবাহিত (প্রতিবন্ধী) এবং ছোট মেয়ে নিয়ে আছে। হঠাৎ করে তার স্বামী মোহন পুলিশ ১৯৯৩ সালে টাঙ্গাইলে চাকুরী করা কালীন অবস্থায় টাঙ্গাইলের মেয়ে নারগিচকে বিবাহ করেন। তার কোলে ২ টি মেয়ে ২টি ছেলে আছে। ছোট বউ নারগিস বাসায় বাসায় থাকতেন আর বড় বউ গ্রামের বাড়ীতে থাকতেন।
বিগত ২ বছর পর ছোট বউ তার স্বামীর গ্রামের বাড়ী আড়পাড়াতে চলে আসে। বাড়ী আসার পর স্বামী ছেলে মেয়ে দিয়ে ছোট বউ বড় বউকে চরম ভাবে অত্যাচার শুরু করল। ছেলে মেয়ে দিয়ে মারাধরা করলে মোহন পুলিশ কোন ব্যবস্থা করে না। এমনকী তার ননদ রিজিয়া (মেগী) কে চরম ভাবে অত্যাচার ও মারাধরা শুরু করল। বাড়ীতে তাড়িয়ে দিয়ে ননদের ১২ শতাংশ জমিতে বিল্ডিং তৈরী করেছে। আর বড় বউকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমান তিনি (ময়না) তার ছোট মেয়ের নিকট মাগুরাতে আছেন। হঠাৎ করে গত ০৪/১২/২০১৫ ইং তারিখে নারগিছ তার ননদ রিজিয়াকে মারাধরা করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার পায়তারা করছে। এবং বাড়িঘর ভেঙ্গে ফেলেছে। যার ভয়ে জীবন-যাপনের সমস্যা। আর বড় বউ প্রাণের ভয়ে মাগুরা আছেন। তার বড় বউয়ের দাবী তার ননদ রিজিয়ার জমি বুঝে দিতে এবং তার অন্ধকার জীবন আলোকিত করার দাবী তোলেন ও স্বামীর অধিকার দায়ের দাবী জানান।
বর্তমান মোহন পুলিশ তার ছোট বউ নিয়ে সুখের জীবন সংসার করে যাচ্ছেন। আর বড় বউ দুঃখ ভরাক্রান্ত মন নিয়ে একাকী মাগুরাতে জীবন যাপন করছেন। আর তার আশা কবে তিনি প্রথম জীবনের মত স্বামীর আদর পাবেন এই আশা নিয়ে আছেন।



