× Banner
সর্বশেষ
পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু রাজবাড়ীতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরো আন্তরিক হতে হবে – সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইবার সক্ষমতা ও দেশীয় উদ্ভাবনে নতুন গতি আনতে হবে – প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে বিজিবিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ বেনাপোলে বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক 

শ্রীপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫

মাগুরা  প্রতিনিধি : মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা সদরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি ভবন চরম ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ।

জরাজীর্ণ এ ঝুকিপূর্ণ ভবনেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে পাঠদান কার্যক্রম । বিদ্যালয়ের তিনটি ভবনের মধ্যে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন ২০১৩ সালে সরকারীভাবে পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হলেও অদ্যবধি অপসারণের বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি । অপর দিকে ১৯৬৮ সালে নির্মিত পাকা টিনশেড ৬ কক্ষ বিশিষ্ট ভবনের মধ্যে ৫টি ভূতুড়ে অন্ধকার কক্ষে পাঠদান  চললেও ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে আকস্মিক ভূমিকম্পে এ ভবনের দেয়ালগুলো ফেটে চৌচির হয়ে গেছে ।

যে কোন মূহুর্তে দেয়াল ভেঙ্গে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বিদ্যমান। বর্ষার দিনে পুরাতন টিনশেড ভবনের ছিদ্র চালা দিয়ে পানি পড়ে শিক্ষার্থীদের বই,খাতা ভিজে যায় আর গ্রীস্মকালে মাত্রাতিরিক্ত গরমে কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা খুবই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় । এ ভবনে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অন্ধকার কক্ষে মশা,মাছির উপদ্রব সহ্য করে শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাস করতে হয়। এছাড়াও পিইডিপি-২ আওতায় নির্মিত দ্বিতল ভবনে ৫টি কক্ষ রয়েছে । এখানে ৫’শতাধিক শিক্ষার্থীর জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ওই দু’টি জরাজীর্ণ ভবনেই শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান চলছে। টিনশেডের ছোট্ট একটি কক্ষে প্রধান শিক্ষকসহ ১১ জন শিক্ষক গা ঘেষাঘেষি করে অফিসের কাজ কর্ম করে থাকেন। মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারিভাবে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকার প্রয়োজন সে তুলনায় এ প্রতিষ্ঠানে যথেষ্ট অভাব রয়েছে ।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাসেম আলী মন্ডল এবিষয়ে বলেন,শিক্ষা-দিক্ষার ক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠানের বেশ সুনাম সুখ্যাতি রয়েছে। প্রতি বছর পিএসসি’র মেধা তালিকায় প্রতিষ্ঠানটি শীর্ষ স্থানে থাকে । তাছাড়া পিএসসি,জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে । কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের তুলনায় ভবন ও কক্ষের সংখ্যা সীমিত থাকায় পাঠদান কার্যক্রম একটু সমস্যা হচ্ছে । তবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে লিখিতভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে ।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অরুণ চন্দ্র ঢালীকে এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন যে,পরিত্যক্ত,ঝুকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে । এ ভবনগুলি অপসারিত হওয়ামাত্রই আধুনিক পদ্ধতিতে নতুনভাবে ভবন নির্মিত হলে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..