পার্বত্য চট্টগ্রাম খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল গড়তে বিভিন্ন খ্রিস্টান সংস্থাগুলোর কৌশলে তৎপরতা।।

রাজিব শর্মা,চট্টগ্রামঃ সেবামূলক নানামুখী কর্মকাণ্ডের আড়ালে

বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিন পার্বত্য

জেলাকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ

অঞ্চল গড়ে তোলার তত্পরতা চালাচ্ছে বিদেশি

কয়েকটি দাতা সংস্থাসহ এনজিওগুলো। দরিদ্র

উপজাতীয় সম্প্রদায়কে অর্থবিত্তের লোভ

দেখিয়ে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করার হার আগের

যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে

আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমান্ত

এলাকার উপজাতীয় দরিদ্র পরিবারগুলো খ্রিস্টান

মিশনারিদের অর্থবিত্তে প্রলুব্ধ হয়ে ধর্মান্তরিত

হচ্ছে।

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের অন্যান্য

সংস্থার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা

হয়েছে, তিন পার্বত্য জেলা— খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও

রাঙামাটিতে বর্তমানে ১৯৪টি গির্জা উপজাতীয়দের

ধর্মান্তরিত করে খ্রিস্টান বানানোর ক্ষেত্রে মুখ্য

ভূমিকা পালন করছে। এ গির্জাগুলোকে কেন্দ্র

করেই দেশি-বিদেশি এনজিও ও অন্যান্য সংস্থা

তাদের সব তত্পরতা চালায়।

খ্রিস্টান ধর্মবিস্তারে কাজ করছে ক্রিশ্চিয়ান কমিশন

ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি), গ্রাম

উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস), কারিতাস বাংলাদেশ,

অ্যাডভেন্টিস্ট চার্চ অব বাংলাদেশ,

ইভেনজেলিক্যাল ক্রিশ্চিয়ান চার্চ (ইসিসি) ইত্যাদি।

১৯৯২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এ

সংগঠনগুলো বান্দরবানে ৬ হাজার ৪৮০টি উপজাতীয়

পরিবারকে খ্রিস্টান পরিবারে পরিণত করতে সক্ষম

হয়েছে। রাঙামাটিতে ক্যাথলিক মিশন চার্চ, রাঙামাটি

হোমল্যান্ড ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ও রাঙামাটি ব্যাপ্টিস্ট চার্চ

প্রায় ১ হাজার ৬৯০ উপজাতীয় পরিবারকে খ্রিস্টান

পরিবারে পরিণত করেছে।

গত দুই দশকের ব্যবধানে শুধু খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ১২ হাজার

২শ’ উপজাতীয় পরিবারকে খ্রিস্টান করা হয়েছে।

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানী

প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে স্বরাষ্ট্র

মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা প্রতিবেদনে এসব তথ্য

তুলে ধরা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

রাজনৈতিক অধিশাখা থেকে তৈরি করা এ প্রতিবেদনের

সুপারিশে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের

মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলোর কর্মকাণ্ড তদারকি

করা প্রয়োজন, যাতে এনজিওগুলো মানুষের

আর্থ-সামাজিক দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে ধর্মান্তরের

কাজ চালাতে না পারে।

ধর্মান্তরিত হওয়ার বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পার্বত্য

চট্টগ্রামে খ্রিস্টধর্মের দ্রুত বিকাশ ঘটায় এখানে

উপজাতীয়দের প্রকৃত সংস্কৃতি, সামাজিক ও ধর্মীয়

রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য ধীরে ধীরে লোপ

পাচ্ছে। প্রতিবেদনে সেবার নামে

উপজাতীয়দের খ্রিস্টান বানানোর তত্পরতায়

নিয়োজিত এনজিওগুলোকে চিহ্নিত করে তাদের

বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এ প্রতিবেদনের অনুলিপি প্রয়োজনীয়

ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এনজিও ব্যুরো, ধর্মবিষয়ক

মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো

হয়েছে।

খ্রিস্টান বানাতে তত্পর বিভিন্ন এনজিও : বিভিন্ন

গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থার

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে,

তিন পার্বত্য জেলা— খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে

বর্তমানে ১৯৪টি গির্জা উপজাতীয়দের ধর্মান্তরিত

করে খ্রিস্টান বানানোর ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা

পালন করছে। এ গির্জাগুলোকে কেন্দ্র করেই

দেশি-বিদেশি এনজিও ও অন্যান্য সংস্থা তাদের সব

তত্পরতা চালায়। এনজিওগুলোর মধ্যে খাগড়াছড়িতে

রয়েছে ক্রিশ্চিয়ান ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট অব

বাংলাদেশ (সিএফডিবি), বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ

ফেলোশিপ, খাগড়াছড়ি জেলা ব্যাপ্টিস্ট চার্চ

ফেলোশিপ, ক্রিশ্চিয়ান সম্মেলন কেন্দ্র

খাগড়াছড়ি, সাধু মোহনের ধর্মপল্লী, বাংলাদেশ

ইউনাইটেড ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাউন

ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ইত্যাদি। খাগড়াছড়ি জেলায় ৭৩টি গির্জা

রয়েছে। ১৯৯২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এ

জেলায় ৪ হাজার ৩১টি পরিবার খ্রিস্টান হয়েছে।

প্রতিবেদনে বান্দরবান বিষয়ে উল্লেখ করা

হয়েছে যে, জেলায় গির্জা রয়েছে ১১৭টি।

এখানে খ্রিস্টান ধর্মবিস্তারে কাজ করছে ক্রিশ্চিয়ান

কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি),

গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস), কারিতাস বাংলাদেশ,

অ্যাডভেন্টিস্ট চার্চ অব বাংলাদেশ,

ইভেনজেলিক্যাল ক্রিশ্চিয়ান চার্চ (ইসিসি) ইত্যাদি।

১৯৯২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এ

সংগঠনগুলো বান্দরবানে ৬ হাজার ৪৮০টি উপজাতীয়

পরিবারকে খ্রিস্টান পরিবারে পরিণত করতে সক্ষম

হয়েছে। রাঙামাটিতে ক্যাথলিক মিশন চার্চ, রাঙামাটি

হোমল্যান্ড ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ও রাঙামাটি ব্যাপ্টিস্ট চার্চ

প্রায় ১ হাজার ৬৯০ উপজাতীয় পরিবারকে খ্রিস্টান

পরিবারে পরিণত করেছে।

খ্রিস্টান অঞ্চল হওয়ার আশঙ্কা : পার্বত্যাঞ্চল অদূর

ভবিষ্যতে খ্রিস্টান অঞ্চলে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা

ব্যক্ত করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, খ্রিস্টধর্মের

দ্রুত বিস্তৃতির ফলে উপজাতীয়দের প্রকৃত সংস্কৃতি,

সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য ক্রমেই

লোপ পাচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদসম

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।