সরকারি মাহতাবউদ্দিন কলেজের প্রভাষক চড়থাপ্পড় মারলেন অফিস সহায়ককে

সরকারি মাহতাবউদ্দিন কলেজের প্রভাষক চড়থাপ্পড় মারলেন অফিস সহায়ককে

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের বিএম শাখার প্রভাষক আব্দুল লতিফ স্যার চড়থাপ্পড় মারলেন তাপস সাধু খাঁ নামের এক অফিস সহায়ক কে। রবিবার দুপুরে সরকারি মাহতাবউদ্দিন কলেজে ক্যাম্পাসে এই ঘটনাটি ঘটে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, রোববার কলেজের বিএম শাখার একজন ছাত্রী বিশেষ প্রয়োজনে কলেজ থেকে ছুটি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে যাবার সময় একই কলেজের ছাত্র নিশান (১৮) আড়মুখি গ্রামের জাফরুলের ছেলে ও নুর আলী কলেজের ছাত্র ইমরান (১৮) একই গ্রামের । তারা দু’জন মিলে কালীগঞ্জ কাচাঁ মালহাট থেকে মেয়ে টির পিছু নেয়। মেয়েটিকে পূর্ব থেকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো নিশান নামের ছেলেটি। মেয়েটি প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওযায় ওই দিন মেয়েটিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে ও মেয়েটিকে রাস্তার মধ্যে সন্মান নষ্ট করারও হুমকি দেয়। মেয়েটি নিজের আত্ব সন্মান রক্ষার জন্য কলেজ পাড়ার স্বপন মুখার্জীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এই খবর পাওয়ার সাথে সাথে কলেজের ইংরেজি অধ্যাপক মনোজ কুমার বিশ^াস ও কলেজের অফিস সহায়ক তাপস সাধু খাঁ মেয়েটিকে উদ্ধার করে কলেজে নিয়ে আসে। কলেজে আসার পর সকলের সামনে মেয়েটি কথা শুনে নিশান ও ইমরানের বন্ধু নয়ন নামের ছেলেটিকে অফিস সহায়ক তাপস সাধু খাঁ একটি চড় মারে। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজের প্রভাষক আব্দুল লতিফ অফিস সহায়ক তাপস সাধু খাঁ কে চড়থাপ্পড় মারেন।

নয়ন নামের ছাত্রটি জানায়, তাপস দাদা আমার বড় ভায়ের মতো আমার ভর্তির সময় সে আমার অনেক সহযোগীতা করেছে। সে আমার শাষন করতেই পারে। তবে আমাকে মারার কারনে তাপস দাদাকে লতিফ স্যার কানচলে বেশ কয়েটি চড়থাপ্পড় মারে।
এই বিষয়ে কলেজের অফিস সহায়ক তাপস সাধু খাঁ জানান, নয়ন একটি দরিদ্র পরিবারের ছেলে তার কলেজের ভর্তির সকল দায়িত্ব নিয়ে তাকে কলেজে ভর্তি করিয়েছি। এবং কলেজের উপবৃত্তির জন্য কলেজে আমি সুপারিশও করেছি। সে আমার বন্ধুর ছোট ভাই তাই তাকে রাগের মাথায় আমি একটি চড় মারি। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে প্রভাষক আব্দুল লতিফ জানান, নয়ন আমাদের কলেজে ছাত্র সে কলেজে এসেছিলো ফরমপুরন করতে । সে সময় সকলের সামনে অফিস সহায়ক তাপস সাধু খাঁ নয়ন কে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে আমি তাপস কে সেখান থেকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ মোশারফ হোসেন জানান, একটি মেয়েয়ে কেন্দ্রকরে ঝমেলা চলছিলো। তবে মারামারির বিষয়ে আমি কোনো কিছু জানিনা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।