বিজ্ঞানের যুক্তিতে একাদশীর উপবাসের উপকারিতা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথির কাছাকাছির দিনগুলিতে চাঁদ পৃথিবীর কিছুটা নিকটে আসার ফলে পৃথিবীর ওপরে চাঁদের আকর্ষণ বেড়ে যায়। তাই ওই দিনগুলোতে লক্ষ্য করা যায় দেহের জলীয় ও গ্যাসীয় পদার্থগুলো উপরের দিকে উঠে বুক ও মাথায় একটা অস্বস্থিকর অবস্থার সৃষ্টি করে। যাদের হাত ও পায়ে ব্যাতের ব্যাথা আছে তা বেড়ে যায়।

তাছাড়া মানুষের হীন বৃত্তিগুলির প্রাবাল্যও ওই সময়ে বেড়ে যায়।  ফলে সমাজের অপরাধের মাত্রাও বেড়ে যায়। তাই ঐ সময়ে পাকস্থলীতে আহার না পড়লে দেহের জলীয় ও গ্যাসীয় পদার্থগুলো উপরে উঠে বুক ও মাথায় অস্বস্থিকর অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে না। বাতের প্রকোপ নিয়ন্ত্রিত থাকে আর হীন বৃত্তির প্রকোপও কম হয়।

আবার উদ্ধৃত্ত শুক্র মনের হীন বৃত্তিগুলিকে জাগিয়ে দেয়। বিধিমত উপবাস করলে শুক্র উদ্ধৃত্ত হতে পারে না। ফলে মনের হীন বৃত্তিগুলি অবদমিত থাকে আর মন উচ্চতর বৃত্তির দ্বারা পরিচালিত হয়।

উপবাসের ফলে শরীরের অনাবশ্যক দূষিত পদার্থ তথা রোগ জীবাণূও নষ্ট হয়ে যায়। আর ভুক্ত আহার হজমের জন্য শরীরের যে শক্তিটা ব্যয়িত হয়, সেটাকে অন্য কাজে লাগানো যেতে পারে।

তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো মানুষ অন্ন প্রধান নয়, সে মন প্রধান জীব। উপবাসের দ্বারা খাবার থাকা সত্ত্বেও মানসিক সংকল্পের দ্বারা সে না খেয়ে থেকে এটা সে প্রমাণ করতে পারে। ফলে তার মানসিক শক্তি প্রচন্ড ভাবে বেড়ে যায়। তাছাড়া উপবাসের সময়টা সাধনার জন্যে প্রকৃষ্ট সময়।

হিন্দু শাস্ত্রে একাদশী তত্ত্ব জানুন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।