ইরানের বিমান চলাচল খাতে সহায়তা করার অভিযোগে দেশটির ২৭টি বিমান সংস্থাসহ মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে নতুন এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ইরান সরকার অস্ত্র, জনবল ও অবৈধ পণ্য পরিবহনে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে ব্যবহার করছে। এসব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করে কিংবা দেশটির জন্য আর্থিক সুবিধা তৈরি করে—এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার মার্কিন নীতির অংশ হিসেবেই এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
আরও পড়ুনঃ যুক্তরাজ্যে ৬০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল, প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে ব্যাপক ভোগান্তি
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি একটি পরিষ্কার সতর্কবার্তা।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন চালিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ইসরায়েলিদের ভ্রমণে সতর্কতা
নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের বিমান চলাচল খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরালো হলো। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, ইরানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন ও অর্থনৈতিক সহায়তার সুযোগ সীমিত করতেই এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখা হচ্ছে।



