যশোরের শার্শা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে যশোর কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে নিজ বাসভবনে চিকিৎসা ও বিশ্রামে রয়েছেন।
এবং তার ছোট ভাই আবু সাঈদ রোড এক্সিডেন্টে আহত হয়ে সেও নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ও তার বড় ভাই
অসুস্থ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন আহমেদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার নিজ বাসভবনে ছুটে যান বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত।
এ সময় তিনি অসুস্থ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিনের পাশে বসে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
আবু তাহের ভারত বলেন, “শাহাবুদ্দিন একজন দক্ষ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক। তিনি সার্বক্ষণিক সংবাদ সংগ্রহ ও সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরার কাজে নিয়োজিত থাকেন। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাংবাদিকদের কোনো দল নেই; তাদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করা উচিত। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিকভাবে মতপার্থক্য বা গ্রুপিং থাকতে পারে, কিন্তু সাংবাদিকদের মধ্যে কোনো গ্রুপিং থাকা উচিত নয়। সাংবাদিকরা সব দলের এবং সব মানুষের কথা তুলে ধরবেন।
তিনি আরও বলেন, “শাহাবুদ্দিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন—এ খবর শুনে তাকে দেখতে এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে বাসায় এসেছি। মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি নাজমুল গনি বল্টু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, ছোট আঁচড়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুস সবুর শেখ, ইসহাক মেম্বার, নামাজগ্রাম ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইয়ার আলী, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সভাপতি মো. তবিবুর রহমান তবি, ৮৯১-এর সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেন, বিএনপি নেতা মিন্টু, জুয়েল, সাংবাদিক মশিয়ার, ফারুক হোসেন, পৌর নেতা স্বপন হোসেন, নাজমুল হোসেন, কামরুল, সাদ্দাম হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন আহমেদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তার পরিবার ও সহকর্মীরা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।





