ঢাকার ফুটপাত দখল করে উচ্ছেদের পর আবারও দোকানপাট বসানো হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে ফুটপাত উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত করার পর সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাজধানীর সব এলাকায় হকারদের ফুটপাত বা সড়কে বসার অনুমতি দেওয়া হবে না। নির্ধারিত নিয়ম অমান্য করে উচ্ছেদ করা কোনো স্থানে পুনরায় দোকান বা অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান রয়েছে। সরকার অনুমোদিত জায়গায় তারা ব্যবসা পরিচালনা করলে সিটি করপোরেশনের আপত্তি নেই। তবে নির্ধারিত স্থান ও অনুমোদিত সময়ের বাইরে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, শুক্র ও শনিবারসহ নির্দিষ্ট কিছু অনুমোদিত ফুটপাত ছাড়া অন্যান্য এলাকায় হকার বসার অনুমতি থাকবে না। নগরবাসীর চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখা এবং ফুটপাতের স্বাভাবিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
রাজধানী ঢাকাকে আরও বাসযোগ্য ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে মো. আবদুস সালাম বলেন, কোনো এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পর আবারও সড়ক বা ফুটপাত দখলের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের মালামাল জব্দ করা হবে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও আধুনিক নগর গড়ে তুলতে ডিএসসিসি প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নাগরিকদের চলাচলের পরিবেশ উন্নত করতে আরও বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নগর উন্নয়নের পাশাপাশি ফুটপাত ও সড়ক ব্যবস্থাপনাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনাও জরুরি। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন ও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে।





