মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা হেফাজতের

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম: রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও বর্বরোচিত নির্যাতনের প্রতিবাদে এবার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনটি ঢাকার গুলশানে মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও করবে।

এছাড়া আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও গণমিছিল এবং ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ ও ওআইসি মহাসচিব বরাবর স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি।

আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। এ গণহত্যা বন্ধ না করলে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও করা হবে। আর ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ও ওআইসি মহাসচিবের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হবে।

জুনাইদ বাবুনগরী আরও বলেন, এ গণহত্যা বন্ধ না হলে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফির নেতৃত্বে আরাকানমুখী (রাখাইন রাজ্য) লংমার্চ করা হবে।

সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে হেফাজত মহাসচিব বলেন, ‘একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, সারা দেশের সর্বস্তরের নাগরিক, দেশি-বিদেশি মুসলিম এনজিও সংস্থাসহ সবার জন্য রোহিঙ্গাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো ও বিতরণের সুযোগ উন্মুক্ত রাখুন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তথা সর্বস্তরের মুসলমানদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে মিয়ানমার সরকারের গণহত্যা ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। রোহিঙ্গাদের সেদেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করুন। মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি কর্তৃক বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমি মাইন স্থাপন ও বাংলাদেশের দিকে গুলি ছোড়ার যে স্পর্ধা দেখানো হয়েছে তার সমুচিত পাল্টা জবাব দিন। গোটা দেশের মানুষ সীমান্ত রক্ষী বিজিবির সাথে রয়েছে।’

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।