ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়া’ সম্বোধন ট্রাম্পের

২০১৬ সালে আমেরিকার নির্বাচনের পর ভারতের সেরা বন্ধু হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। আগে মোদীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে একাধিকবার। এবার কেবল হাউডি মোদী অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই হাউসটনে উড়ে গিয়েছেন তিনি।

মোদীকে নিখাদ ভদ্রলোক ও বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন আগে ভারতের ভাবমূর্তি বিশ্বের কাছে স্পষ্ট ছিল না। একতার অভাব, মতবিরোধ, রাজনীতির লড়াইয়ে দীর্ণ ভারত বেশি নজরে আসত। কিন্তু একজন সত্যিকারের অভিভাবকের মত ভারতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন মোদী। তাই আমরা সবাই ওনাকে ফাদার অফ ইণ্ডিয়া নামেই সম্বোধন করি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কাছে মোদী মহান নেতা। এমনকী নরেন্দ্র মোদীকে ফাদার অফ ইণ্ডিয়া বলতেও পিছপা হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের জেনারেল অ্যাসেম্বলির ফাঁকে বৈঠকে বসেছিলেন দুই রাষ্ট্রনেতা। এদিন মোদী-ট্রাম্প বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত ও আমেরিকা দুই দেশের মধ্যে শীঘ্রই বাণিজ্য চুক্তি হবে বলে জানা গিয়েছে।

মজার ছলেই ট্রাম্প বলেন, “আগামী মাসেই মুম্বইতে ভারতের প্রথম এনবিএ শো হবে। আমি কি নিমন্ত্রিত, মিস্টার নরেন্দ্র মোদী! আমি কি আসতে পারি! সতর্ক থাকবেন। আমি কিন্তু চলে আসতে পারি।”

আগামী ৪ ও ৫ অক্টোবর মুম্বইতে এই খেলার আয়োজন হয়েছে। ভারতকেই আমেরিকার প্রিয় বন্ধু সম্মোধন করে ট্রাম্প এদিন বলেন, “মোদী ডাকলে নিশ্চয়ই ভারতে যাব।”

মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প এদিন বলেন, “৩ কোটি গরিবের ক্ষমতায়ণ করেছেন মোদী। শক্তিশালী করেছেন ভারতকে। দুই দেশকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক।”

তবে এখানেই শেষ নয়। ট্রাম্প বলেন দুই দেশেরই সবচেয়ে বড় সমস্যা হল অনুপ্রবেশ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগে আমেরিকা ও ভারতের নাগরিকরাই স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবে। তার আগে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের যাতে এই সুবিধা রাজনীতিকরা দিতে না পারে, সেদিকে নজর রাখব।”

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।