× Banner
সর্বশেষ
গণঅভ্যুত্থান আকস্মিক নয়, ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে – প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধাকে অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী চলনবিলে সমন্বিত ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু -বিমান মন্ত্রী রাতের আধাঁরে সামাজিক বনায়নের গাছ লুট বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বে রাজনীতি যেন প্রভাব না ফেলে: প্রধানমন্ত্রী ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান

জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসরভাতা দেওয়ার আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
অবসরভাতা দেওয়ার আশ্বাস

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে পারে আগামী জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, অবসরভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পরিশোধ কার্যক্রম আগামী জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন। সভায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২২ সাল থেকে অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউই এখনও অবসরভাতা বা কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা পাননি। এতে হাজারো অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাঁর ভাষায়, একজন শিক্ষক অবসরকালীন সুবিধা হিসেবে প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে তারা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

তিনি জানান, চলতি বাজেটে অতিরিক্ত ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং ২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বন্ড পাওয়া গেছে। এসব অর্থের মাধ্যমে জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসরভাতা বিতরণ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী দুই বছরের মধ্যে বকেয়া সব দাবির নিষ্পত্তির লক্ষ্যের কথাও জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসি) থেকে মাত্র দুই দিনে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষককে মাদ্রাসায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে সে সময় প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ না থাকায় বর্তমানে অর্থসংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে হাতে মাত্র ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা রয়েছে, অথচ অতিরিক্ত প্রায় ৫০০ কোটি টাকার প্রয়োজন।

তিনি জানান, আপাতত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে যেসব শিক্ষক অর্থ উত্তোলন করছেন, তারাই সুবিধা পাচ্ছেন। অন্যদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অতীতের দায়িত্বশীলদের পরিকল্পনার ঘাটতির কারণেই বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষকদের অবসরভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দ্রুত পরিশোধের এই ঘোষণা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..