ঢাকা: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জাতীয় দৈনিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়টি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার জন্য ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে মতামতসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগ যাচাই
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রকাশিত অভিযোগগুলো সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করাই তদন্ত কমিটির প্রধান দায়িত্ব। তদন্তে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন বিধিমালা, ফিটনেস সনদের উদ্যোগ -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শুরু থেকেই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের উদ্যোগ
একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অনিয়মের দায়ভার পুরো প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে না বলেও স্পষ্ট করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।



