× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

ডেস্ক

উভয় সংকটে ভারত

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
পুলিশ প্রধানের মধ্যে সংলাপ

ভারতের সহনশীলতার নীতির ফলে বাংলাদেশে একটি জাতিগোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার পথে যাদের সাথে আবার ভারতের আত্মীক সম্পর্ক রয়েছে। ভারত বানিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ অনিবার্য। এতে শুধু যে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে এমন নয় নিরন্ন অভুক্ত মানুষ তখন সীমান্ত টপকে ভারতে প্রবেশ করবে। মানবিক কারণে ভারত তখন তাদের উপর কড়া কোন ব্যবস্থাও নিতে পারবেনা।

তাই বাংলাদেশ বুঝতে পাচ্ছে ভারত সহনশীল দেশ কোন ভাবেই ভারত বাংলাদেশকে বিপদে ফেলবেনা। ভারত উভয় সংকটে। না পারছে বাংলাদেশের সাথে বানিজ্যিক সম্পর্ক নস্ট করতে না পারছে হিন্দুদের রক্ষা করতে।

বাংলাদেশ ভারত থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মেঃটন ডিজেল কিনতে চলেছে। সপ্তাহ খানেক আগে ৫০ হাজার মেঃটন চাল কেনার চুক্তি করেছে। এর আগে পেঁয়াজ ও ডাল আমদানির ব্যাপারেও ভারত রাজি হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হত্যা নির্যাতনের কারণে ভারত যখন বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে ভারতে খেলতে নিষেধ করলো তখন একজন হিন্দু হিসাবে গর্বে বুক ভরে যায়। স্বজাতির প্রতি ভারতের কর্তব্যে তখন বাংলাদেশের নিপীড়িত হিন্দুদের বুকে আশা জাগে।

কিন্তু পরক্ষনেই যখন ভারত বাংলাদেশে চাল ডাল পেঁয়াজ রসুন এবং ডিজেল পাঠাতে চুক্তিবদ্ধ হয় তখন দুইদেশের হিন্দুদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়। তাহলে বাংলাদেশে হিন্দুদের পুড়িয়ে মারার পিছনে যে অমানবিক মানুসিকতা ফুটে উঠেছে বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য করার জন্য নিরন্তর হিন্দুদের উপর অত্যাচার অব্যাহত রেখেছে তার প্রতিকার কি দুইদেশের মধ্যে বানিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখে করা সম্ভব। তাহলে ভারত কি বাংলাদেশে হিন্দুদের অসহায়তা নিয়ে তামাশা করছে?

কার্যত এতসব চুক্তির ফলে বাংলাদেশ আরও সাহস পাচ্ছে হিন্দুদের উপর অত্যাচার করতে। বাংলাদেশ বুঝতে পাচ্ছে ভারত সহনশীল দেশ কোন ভাবেই ভারত বাংলাদেশকে বিপদে ফেলবেনা। ভারতের এই সহনশীলতার নীতির ফলে বাংলাদেশে একটি জাতিগোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার পথে যাদের সাথে আবার ভারতের আত্মীক সম্পর্ক রয়েছে। ভারত বানিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ অনিবার্য। এতে শুধু যে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে এমন নয় নিরন্ন অভুক্ত মানুষ তখন সীমান্ত টপকে ভারতে প্রবেশ করবে। মানবিক কারণে ভারত তখন তাদের উপর কড়া কোন ব্যবস্থাও নিতে পারবেনা।

বাংলাদেশে যে অরাজকতা অস্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তার থেকে কেউ রেহাই পাবেনা। ফলে ভারত মোস্তাফিজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাংলাদেশকে সতর্ক করতে চেয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তবে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও ভারত যদি বাংলাদেশের উপর বানিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতো তাহলে বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পারতো কেন ভারত ছাড়া তাদের চলার কোন পথ নেই।

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর যে অমানুষিক নির্যাতন চলছে তার প্রতিকার ভারত ইচ্ছে করলে এক নিমিষেই করতে পারে। কিন্তু উভয় সংকট ভারতকে টেনে রেখেছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করে বাংলাদেশ কখনো ভারতের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারবেনা। তারপরও ভারত যথেষ্ট সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আসছে। গত দু’দিন আগে ত্রিপুরা সীমান্তে ভারত কার্ফু জারি করেছে। সেখানে এগারো সদস্যের একটি জঙ্গি বাহিনী সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এই এগারো জনের মধ্যে দুইদেশের কুখ্যাত জঙ্গিরা রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ চেষ্টা করছে উত্তর পূর্বাঞ্চলকে অস্থিতিশীল করতে। তারপরও ভারত সরাসরি বাংলাদেশের উপর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..