উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন, কী ভাবছে সুশীল সমাজ?

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছেন আদালত। এ নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন বেশ উত্তপ্ত।

রায়ের আগেই শনিবার বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে, ইভিএম পদ্ধতি বাতিলসহ ৬টি দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগও বিএনপিকে কোনো ছাড় না দিয়ে বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনের কথা বলে আসছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নির্বাচনে যেতে ৬ শর্ত দিয়ে নিজের হার্ডলাইনই স্পষ্ট করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।  আওয়ামী লীগও কোনো ছাড় দেয়ার মানসিকতায় নেই।

তারা বলছেন, গনতন্ত্রের স্বার্থে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের সংঘাতের মনোভাব পরিহার করা উচিত।

এ বিষয়ে কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ মনে করেন, খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষই বাড়াবাড়ি করছে। এটা এক ধরনের অগণতান্ত্রিক আচরণ।।

অন্যদিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আলোচনার টেবিলেই সমাধানের পথ খুজতে হবে। জাতীয় নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে এ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমোঝতায় আসতে হবে।

সাংঘর্ষিক আচরণ পরিহার করে গণতান্ত্রিক উপায়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।