× Banner
সর্বশেষ
শিকলবিহীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই শিকল ভেঙেছি আমরা – তথ্যমন্ত্রী নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই – প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা পূরণ রাকিবের, তুললেন সেলফি অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান, ধর্ম ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন – স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বিমানবন্দরে সমান নিরাপত্তা তল্লাশি – বিমান মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর, মিলল হারমোনিয়াম উপহার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন আগামী ১৬ আগস্ট – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাবার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন জুবাইদা রহমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামী ১০ আগস্ট

অপরিপক্ক আম বিষাক্ত রাসায়নিকে পাকানোর অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১১ মে, ২০১৬

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধিঃ তালা উপজেলাসহ দেশের সব এলাকাতেই এখন গাছে গাছে আমের সুবাস ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। আম আমাদের অত্যান্ত প্রিয় একটি ফল এবং এটি একটি অর্থকরী ও লাভজনক ফসল। সারাদেশের পুষ্টিমান সুস্বাদু ফল ও বাণিজ্যিক ভাবে কৃষির কাতারে পৌছে অর্থকরী সম্পদে পরিনত হয়েছে।

আম আমাদের জাতীয় ফল না হলেও ফলের রাজা হিসেবে অত্যন্ত সুপরিচিত। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই অপরিপক্ক আম গাছ থেকে পেড়ে নানারকম বিষাক্ত রাসায়নিক স্প্রের মাধ্যমে প্রয়োগ করে অসময়ে পাকিয়ে বাজারজাত করে অধিক মুনাফা লুফে নিচ্ছে। ব্যবসায়ীদের এসব পদ্ধতি যেমন বিপদজনক তেমনি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ক্রেতা সাধারণ নিঃসংশয়ে বাহারী রঙের আম বাজার থেকে কিনে খাচ্ছে। এসব আম খেয়ে জনস্বাস্থ্য কি পরিমান হুমকিতে পড়ছে তা কখনো ভাবিনি। প্রাকৃতিকভাবে পাকার পরেই আম খেতে হয়। তা আমাদের দেশে কজন মানে?

সরেজমিনে উপজেলার খলিশখালী উত্তর বাজার সংলগ্ন মন্দিরের পার্শ্বে জনৈক শৈলেন দের বাগানে গিয়ে দেখা যায় অসাধু ব্যবসায়ী মোসলেম কাগুজীর নিয়োগকৃত অভিজ্ঞ শ্রমিক মোহর আলী কাগুজী বিষাক্ত রাসায়নিক ইথিপ্লাস এস.এল ৪৮ অপরিপক্ক ল্যাঙড়া আম ভেঙ্গে স্প্রে করছেন। এসময় তার সাথে কথা হলে তিনি জানালেন সব ব্যবসায়ীরা সময়ের আগেই অপরিপক্ক আম ভেঙ্গে বিভিন্ন রকম বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগের মাধ্যমে পাকিয়ে বাজারজাত করছেন। ঐ শ্রমিকের কাছে আম ব্যবসায়ী (মালিক) কোথায় জানতে চাইলে তিনি অসুস্থ্যতার কারণে বাড়ীতে আছেন।  এরপর ঐ ব্যবসায়ীর বাড়ীতে গিয়ে বহু খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে মুঠোফোনের নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে ফোনটি অন্যকেউ রিসিভ করে বলেন মোসলেম ভাই বাইরে গেছেন। এছাড়া উপজেলার খেশরার কালিপদ বিশ্বাস,কাশীপুর গ্রামের রুহুল আমিন শেখ,কুমিরা গ্রামের জামাত আলী,জিল্লার রহমান,মহাাতাব আলী,সেনেরগাঁতী গ্রামের আব্দুর রশিদ,লিয়াকত গাজী,কলিয়া গ্রামের রাজু,ইদ্রিস আলী, এনায়েতপুরের আক্তারুল ইসলাম, শফি মেম্বর,বাগমারার শাহিন মেম্বর, খলিশখালীর সুধীর মন্ডল, মাগুরার আবুল গাজী, চাঁদকাটির ইমান গাজীসহ শতাধিক আম ব্যবসায়ী অসময়ে আম পেড়ে একই কায়দার পাকিয়ে স্থানীয় বাজারসহ খুলনা ও রাজধানী শহরের আড়তে প্রতিনিয়ত বিক্রয় করছে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে সময়ের আগে আম পাড়া সম্পুর্ণ অন্যায়। এক প্রশ্নের জবাব তিনি বলেন-শুধু আম নয় যে কোন ফল অসময়ে পেড়ে রাসায়নিক প্রয়োগ বিশুদ্ধ খাদ্য আইন পরিপন্থী। এসবের প্রমান পেলে জেল-জরিমানা করা হবে বলে জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..