তালায় ভুমি সহকারী কর্মকর্তার নানা অপকর্মের সংবাদ প্রকাশে তোলপাড়

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধিঃ তালায় এক ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পেরিফেরিভূক্ত সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের সহায়তা করা,নামজারী ও ভুমি উন্নয়ন কর আদায়ে ঘুষ বাণিজ্য,খাস এবং অর্পিত সম্পত্তি তালিকায় ব্যপক অনিয়ম স্বজনপ্রীতির অভিযোগে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে ব্যপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য উপজেলার সর্ববৃহৎ রাজস্ব আদায়ে প্রথম স্থানে অবস্থিত খলিশখালী ইউনিয়ন ভুমি অফিসে কর্মরত দূর্নীতি পরায়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অসীম কুমার হালদার যোগদানের পর থেকে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে আসছেনন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে উপজেলার মাগুরা বাজার পেরিফেরিভূক্ত ১নং খাস খতিয়ানে ১৪৯২ দাগে একই মৌজার সুভাষ দত্তের পুত্র সন্দ্বীপ দত্ত ,চারিখাদা গ্রামের উজ্বল দাশ ও মৃত্যুঞ্জয় দাশদের নিকট থেকে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নিয়ে ৩টি পাকা দোকানঘর নির্মানের সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে।

ভুমি উন্নয়ন কর আদায়ে অতিরিক্ত উৎকোচ গ্রহন,জমা খারিজ বা নামজারী কেচ প্রতি ৭/৮ হাজার টাকা ঘুষ নেয়া, খাস ও অর্পিত সম্পত্তির তালিকায় অনিয়ম,স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়েছে। একাধিক ভূক্তভোগী ভুমি মালিকের অভিযোগ ৫টাকার মওকুফ দাখিলা নিতে ঐ দূর্নীতিপরায়ন কর্মকর্তাকে ৫শ থেকে ১হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। তার এসব নানাবিধ অপকর্মে ভুক্তভোগী জমির মালিক অভিযোগ করে বলেন-২টি নামজারী কেচে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে নগদ ১৬ হাজার টাকা দিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহানা করে আসছে।

এছাড়া ঐ দূর্নীতি পরায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে কপোতাক্ষ নদের ভেড়ীবাঁধের মাটি ইট ভাটা মালিকদের কাছে বিক্রয় করার অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে কয়েকবার স্থানীয় সাংবাদিকরা সোচ্চার হলে দুর্ণীতিবাজ কর্মকর্তা কিছুদিন নিশ্চুপ থেকে আবারো মাটি কাটার সহযোগিতা করে আসছে। এলাকাবাসী দূর্নীতিবাজ ভুমি কর্মকর্তার নানাবিধ অপকর্মের প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।