× Banner
সর্বশেষ
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্তের ২৫৪ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়ন জাতীয় সংসদই হবে রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন উপকূলীয় সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানই কার্যকর পথ: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই জুলাই শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা: মির্জা ফখরুল সবার সঙ্গে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়ন করবে সরকার – তথ্যমন্ত্রী মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে মান্দায় বিলে ডুবে নারীর করুণ মৃত্যু বেনজীরের জামিন বাতিলের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক

হরমুজ প্রণালী বন্ধে তেলের দাম ১০% বৃদ্ধি, ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
Strait of Hormuz

ইরান–ইসরাইল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে এবং ব্যারেলপ্রতি মূল্য ১০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

রোববার (১ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা Reuters।

তেল ব্যবসায়ীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ICIS-এর এনার্জি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক উত্তেজনা দামে প্রভাব ফেললেও মূল কারণ হলো হরমুজ প্রণালীর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া।

বাণিজ্যিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর অধিকাংশ ট্যাঙ্কার মালিক, বড় তেল কোম্পানি ও ট্রেডিং হাউস হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশের বেশি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়।

পারমার আরও জানান, সপ্তাহের শুরুতে বাজার খোলার পর তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকতে পারে। প্রণালীটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে মূল্য ১০০ ডলার অতিক্রম করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন নেতা আগেই ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠতে পারে। এদিকে জ্বালানি উৎপাদনকারী জোট OPEC+ রোববার জানিয়েছে, তারা এপ্রিল থেকে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়াবে। তবে এটি বৈশ্বিক চাহিদার মাত্র ০.২ শতাংশেরও কম।

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান Rystad Energy-এর অর্থনীতিবিদ জর্জ লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে সৌদি আরব বা আবুধাবির পাইপলাইন ব্যবহার করা হলেও দৈনিক ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি ব্যারেল তেলের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে তেলের দাম আরও ২০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে প্রায় ৯২ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

ইরান সংকটের জেরে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ও তেল শোধনাগারগুলো তাদের মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা শুরু করেছে। পাশাপাশি বিকল্প শিপিং রুট ও সরবরাহ ব্যবস্থা খুঁজে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..