ইসরাইলি বাহিনীর অতর্কিত হামলায় গুঁড়িয়ে যাওয়া বসতবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকা আরও ১৭ জন নিখোঁজ ফিলিস্তিনির লাশ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গাজার সিভিল ডিফেন্সের পরিচালনায় পরিচালিত ‘শহীদদের মরদেহ উদ্ধার’ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় ধাপে উত্তর গাজা সিটি এবং মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের ধ্বংসাবশেষে অনুসন্ধান চালানো হয়। এর মধ্যে গাজা সিটির জেইতুন ও ইয়ারমুক এলাকার ‘হাজ্জি’ এবং ‘আল-নাদিম’ পরিবারের বিধ্বস্ত বাড়ি থেকে ১৬ জন এবং নুসেইরাতের ‘আল-ওয়ার’ পরিবারের বাড়ির নিচ থেকে ১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকারী দলগুলো জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সরানোর মতো পর্যাপ্ত ও ভারী যন্ত্রপাতি গাজায় প্রবেশ করতে না দেওয়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে। গাজা, উত্তর গাজা ও মধ্যাঞ্চলের ১৪৭টি বিধ্বস্ত ভবনে অনুসন্ধান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে আরও অন্তত ১,০৭২টি লাশ চাপা পড়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৫ সালের সরকারি হিসাব মতে, ইসরাইলি হামলা শুরুর পর থেকে প্রায় ৯,৫০০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। উল্লেখ্য, টানা আগ্রাসনে এ পর্যন্ত গাজায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।





