ধানমন্ডি ও আবাহনী মাঠের ব্যবস্থাপনায় দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা

ধানমন্ডি ও আবাহনী মাঠের ব্যবস্থাপনায় দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা
ধানমন্ডি ও আবাহনী মাঠের ব্যবস্থাপনায় দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা

রাজধানীর ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ, যা আবাহনী মাঠ নামে পরিচিত, এবং ধানমন্ডি মাঠ সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ ঢাকায় সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান এতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ নিরাপদ খাদ্যের জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও দেশের বড় শহরগুলোতে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের সংকট রয়েছে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠগুলোকে নির্দিষ্ট কোনো একটি খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা হলে এগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজধানীর খেলার মাঠগুলোতে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সর্বস্তরের মানুষের খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে ক্লাবগুলোর রাজনীতিকীকরণ দূর করে ক্রীড়াঙ্গনে নিরপেক্ষ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং মাঠগুলো সাধারণ মানুষ ও তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

আরও পড়ুনঃ রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে দিতে আইএইএ প্রধানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

তিনি বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি ও শুটিংয়ের অবকাঠামো এবং আবাহনী মাঠের বিদ্যমান খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংস্কার করে তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মডেলে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার পর ঢাকার অন্যান্য গণপূর্ত মাঠও পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।

তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে ১০টি ইভেন্টে দল গঠন করা হচ্ছে। দ্বিতীয় আসরে ইতোমধ্যে ১৫ লাখের বেশি অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং নিবন্ধনের সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ প্রকল্প বাস্তবায়নে অহেতুক বিলম্ব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আবাহনী ধানমন্ডি মাঠে অনুশীলন ও ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় মাঠ দুটি সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে। পাঁচ বছর পর উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তির মেয়াদ নবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হাসানসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
সংবাদ প্রতিনিধি

পিআইডি

এই সংবাদটি The News-এর সংবাদ প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।