বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫ এর উদ্যোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে সতর্কবাত্তা দিয়ে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও পথ সভা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বেনাপোল স্থলবন্দরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫ এবং ৮৯১-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি বন্দর এলাকা থেকে বেনাপোল বলফিল্ড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন শ্রমিক সংগঠন দুটির স্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
এ সময় বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। মিছিলে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা নিষিদ্ধ সংগঠনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।
সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা স্বৈরাচারের দোসররা যেন শ্রমিক ভাই-বোনদের মধ্যে প্রবেশ করে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ, জ্বালাও-পোড়াও বা নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বেনাপোল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। এই বন্দরের ভেতরে কোনো সন্ত্রাসী বা দুষ্কৃতকারী ঢোকার চেষ্টা করলে সাথে সাথে তাদেরকে প্রতিহত করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার জন্য শ্রমিক ভাইদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান শ্রমিক নেতা সহিদ আলী, তবিবর রহমান এবং লিটন হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ৮৯১ ও ৯২৫ ইউনিয়ন এর সকল শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সহিদ আলী আরো বলেন,তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, শেখ হাসিনার দোসর ও স্বৈরাচারের সন্ত্রাসীরা আমাদের এই বন্দরে শ্রমিকদের ভেতরে মিশে জ্বালাও-পোড়াও এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। তাই আমরা সবাইকে একযোগে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি জানান, পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করেছে তারা কোনো গার্মেন্টস শ্রমিক বা সাধারণ শ্রমিক নয়, বরং বাইরে (যেমন গোপালগঞ্জ) থেকে এসে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরে এ ধরনের কোনো সন্দেহভাজন বা সন্ত্রাসীকে দেখলে সাথে সাথে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার জন্য নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি স্থানে পাহারা জোরদার করার ও সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





