× Banner
সর্বশেষ
আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত শরীয়তপুরের পালং ইউনিয়নবাসী

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৬

সৈকত দত্ত, শরীয়তপুর থেকে: শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নবাসী স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিন তলা বিশিষ্ট উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন থাকলেও বিগত এক বছর যাবত কোন চিকিৎসা সেবা নেই, নেই ঔষধ। একজন আয়া এখন পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তা। এ ভাবেই স্বাস্থ্য সেবা বিহীন দাড়িয়ে আছে উপ-স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটি।

পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় এক বছর যাবত পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন চিকিৎসক নেই। মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহ আলমকে অন্যত্র বদলি করে দেয়ার পর থেকে উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারও চলে গেছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য বিভাগে একজন এমএলএসএস ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ও একজন আয়া কর্মরত আছে কাগজ কলমে। বাস্তব রূপ দেখা গেল উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে।

বৃহস্পতিবার সকালে পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় প্রধান ফটকসহ উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দরজা বন্ধ। আশপাশ ঘুরে কোন লোকজনের সাড়া নাই। কিছুক্ষন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে দাড়িয়ে থেকে দেখা হয় পালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেন মাদবর ও চৌকিদার আলী আকবরের সাথে। তাদের সাথে কথা বলতেই বেরিয়ে আসে ঝোলা থেকে সাপ।

তখন আনোয়ার হোসেন মাদবর জানায়, বিকাশ বাবু থাকতে চিকিৎসা ও ঔষুধ পেতাম। বিকাশ বাবু গেছে প্রায় ১ বছর। এর মধ্যে কোন চিকিৎসা ও ঔষধতো দূরের কথা চিকিৎসের দেখাও পায়নি তারা। এলাকাবাসী বিনা চিকিৎসায় ধুকছে। এ হাসপাতাল সাবেক এমপি কালু সরদারের সাথে যুদ্ধ করে তাদের পেতে হয়েছে। এখন হাসপাতালের কোন অস্তিত্ব নাই।

চৌকিদার আলী আকবর বলেন, এখন শুধু ভবন পাহাড়াদার ও ঝাড়–দারের দায়িত্ব পালন করে একটা মহিলা। সে না থাকলে এ ভবনে পশু পাখি থাকতো। আমাদের দালান দিয়ে কি হবে? আমরা চিকিৎসা ও ঔষধ চাই। আমাদের এলাকার মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে। এ সময় তিনি আয়া সামসুন্নাহারকে ডেকে আনে।

আয়া সামসুন্নাহার বলে, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা অসুস্থ্য তাই ছুটিতে আছে। স্বাস্থ্য বিভাগের পিওন আসে নাই। সাকমো তাহমিনা সপ্তাহে রবি ও বুধবার এখানে বসতো ডাঃ শাহআলম যখন আসতো তখন থেকে সাকমো তাহমিনা আর আসে না। এখন কেউই আসে না। আমি শুধু ঝাড়– দেই আর ভবনে থাকি। ডাক্তার ও ওষুধ না পেয়ে এলাকার লোকজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। আমি চুপ থাকি। আমার কি করার।

এ বিষয়ে জানার জন্য জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মশিউর রহমান টগর এর সাথে কথা বলে কোন নির্ভরযোগ্য উত্তর পাওয়া যায় নাই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..