× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

পিআইডি

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও উদ্যোক্তাবৃত্তির ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ

দেশের স্বাস্থ্য খাতের টেকসই রূপান্তর এবং নাগরিকদের সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কার্যকর সমন্বয় এবং ‘উদ্যোক্তাবৃত্তি’ (Entrepreneurship)-এর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ ঢাকায় হোটেল আমারিতে অনুষ্ঠিত ‘Pathways to Health Entrepreneurship in Bangladesh’ শীর্ষক প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কেবল বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোই যথেষ্ট নয় বরং বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ আলোচনা ও দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। মন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি দূরদর্শী ও কার্যকর ‘পরামর্শমূলক জোট’ গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, আমাদের দক্ষ উদ্যোক্তা, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি হাসপাতাল ও শক্তিশালী ওষুধ শিল্প রয়েছে। এবারের বাজেটে ওষুধ শিল্পের এপিআই উন্নয়নের জন্য বড় ধরনের সহায়তা ও আলাদা জোন তৈরি করা হচ্ছে।

 বাংলাদেশে চিকিৎসায় জনগণের পকেট থেকে অতিরিক্ত ব্যয়ের হার বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ উল্লেখ করে মন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেন। এই ব্যয় কমিয়ে সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মেলবন্ধন জরুরি বলে তিনি জানান।

 অর্থমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবাকে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে এগোচ্ছে। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত করা হচ্ছে। অতিরিক্ত সরকারি অবকাঠামো নির্মাণ না করে বেসরকারি খাতের সুযোগ ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশে মেডিকেল যন্ত্রাংশ (Healthcare Equipment) উৎপাদনে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবারের বাজেটে বিপুল প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে এবং এতে ব্যাপক সাড়াও মিলছে।

 আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সুযোগ ও সঠিক নীতিমালা পেলে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সেরা উদ্যোক্তা হতে পারে। বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক আদর্শই হলো বেসরকারি খাতের নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধি। আমাদের নেতৃত্ব বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বাসী এবং দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নির্বাচিত সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নীতিনির্ধারণী সহায়তা এবং দেশের প্রতিভাবান উদ্যোক্তাদের কঠোর পরিশ্রম একসাথে দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক যুগান্তকারী অবদান রাখবে।

 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..