× Banner
সর্বশেষ
ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস ১৭ জেলার নদীবন্দরে ঝড়ের সতর্কতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আজ বুধবার (২২ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ২২ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ

সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ভর্তি বাণিজ্য-২০১৮

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৭ জুন, ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের ঐতিহ্যবাহী সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ঐতিহ্য হারাতে বসেছে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজির কারণে। তারা সরকারী কলেজের কামরা ব্যবহার করছে ছাত্র সংসদ অফিস হিসেবে।

সরেজমিন তদন্ত করে জানা যায় সরকারি কলেজটি তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবেই ব্যবহার করছেন ছাত্রলীগ নেতারা। প্রিন্সিপ্যাল, ভাইস প্রিন্সিপ্যাল ও কলেজের শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ছাত্রলীগের কাছে জিম্মি হয়ে আছেন।

ছাত্রলীগের কথা ছাড়া কোনো কথাই তারা বলছে না, ভর্তির ব্যাপারে ছাড়পত্র নিয়ে ভর্তির জন্য গেলে কলেজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা ছাত্রলীগ অফিসে নিয়ে যায়।

তারা প্রাণভয়ে কিছু বলতে পারছে না। কিছুদিন আগে ঢাকা মোহাম্মদপুরের উদ্যান কলেজ থেকে এক ছাত্র ভর্তি ছাড়পত্র আনার পরও ছাত্রলীগ নেতারা ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।

দলীয় পরিচয় দিলেও তারা চাঁদা ছাড়া কোনো কথাই শুনতে রাজি হয় না। চাঁদা তাদের দিতেই হবে, তা না হলে এই কলেজে ভর্তি হওয়া যাবে না বলে হুমকি দেয় ওই ছাত্রকে। ওই ছাত্র তাদের হুমকির কারণে প্রাণভয়ে অন্যত্র ভর্তি হতে বাধ্য হয়।

বর্তমানে চলছে এইচ.এস.সি ২০১৮-১৯ সেশনে ভর্তি কার্যক্রম। ব্যাংক জমা রশিদে সরকারিভাবে ২২০০ টাকার জমার দেওয়ার জন্য উল্লেখ আছে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জমাও নিচ্ছে ২২০০ টাকা।

ব্যাংকের রশিদ যখন ছাত্র/ছাত্রীরা গ্রহণ করছেন তাদের কাছ থেকে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছে কলেজ ম্যানেজমেন্টের নামে কলেজ কর্তৃপক্ষ, নাকি এরা ছাত্রলীগ নেতা, তাঁর কোনো সঠিক জবাব পাওয়া যায়নি তাদের কাছ থেকে।

দায়িত্বরত যারা ব্যাংকের জমা রশিদ বিতরণ করছেন তাঁদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হয় আপনারা কিসের টাকা নিচ্ছেন?

জবাবে তারা বলছে কলেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ২০০০ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে। এ টাকা কার পকেটে যাবে? কলেজ কর্তৃপক্ষের? নাকি ছাত্রলীগ নেতাদের পকেটে? এ জিজ্ঞাসা ভুক্তভোগী অভিভাবক ও ছাত্র/ছাত্রীদের।

অভিভাবক বা ছাত্ররা ক্যাশমেমো চাইলে তারা ক্যাশমেমো দিতে অপরাগতা স্বীকার করে।

এই কলেজের ছাত্রলীগের ব্যাপারে অভিযোগের শেষ নেই, সরকারি ঢাকা কলেজ ও সরকারি কবি নজরুল কলেজের এইচ.এস.সির ছাত্রদের ওপর রাজনৈতিক কোনো চাপ নেই। মিটিং-মিছিলে তাদের ব্যবহার করছে না ছাত্রলীগ নেতারা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের কোমলমতি এইচ.এস.সির ছাত্রদের ব্যবহার করছে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে। ছাত্রলীগ নেতারা মারধর করে মিটিং-মিছিলে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করছে ছাত্রদের। এ ধরনের অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী অভিভাবক ও ছাত্র/ছাত্রীরা।

এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছেন অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..