× Banner
সর্বশেষ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভোটার তালিকার অপেক্ষায় ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন – সিইসি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট খারিজ বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করল চীনা দূতাবাস মোদির ফেসবুক ভিডিও ব্লক করে মেটা বললো, ‘কারিগরি ত্রুটি’ আনুষ্ঠানিক ভাবে বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ; স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করতে সংসদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার দেশজুড়ে অপরাধ দমনে অভিযান জোরদার দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন ৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার উপায়

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৫

আচার্য ব্রজেশ্বরানন্দ অবধূতঃ এই মনিপুর চক্রের সঙ্গেই এড্রিনাল (Adrenal) গ্রন্থি ও প্রোষ্টেট(Prostrate) গ্রন্থি সম্পর্কিত। কিডনীর উপরে আর অগ্নাশয়ের(Pancreas) ঠিক পাশেই এড্রিনাল গ্রন্থি। হঠাৎ কোন বিপদের ফলে চাপের (stress) মুখে পড়ে শরীরে কোন তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হলে এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হর্মোন তাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বিপদের সময় এই গ্রন্থি থেকে এড্রিনালিন (Adrenaline) হর্মোন নিঃসৃত হয়ে সমস্ত শরীরকে প্রভাবিত ও প্ররোচিত করে এই বিপদের বিরুদ্ধে লড়তে বা তার থেকে পালিয়ে বাঁচতে।

প্রাচীন কালে   মানুষ হঠাৎ কোন বিপদের ফলে চাপের (stress) মুখে পড়লে, যেমন কোন মানুষকে হিংস্র বাঘ আক্রমন করলে তৎক্ষনাৎ সে এই বাঘের বিরুদ্ধে শারীরিক শক্তি দিয়ে লড়তো অথবা পালিয়ে যেত। এই ভাবে সে চাপ (stress) থেকে মুক্ত হতো । কিন্তু আধুনিক যুগের শিক্ষিত, সভ্য মানুষ প্রায়ই বিভিন্ন ভাবে চাপের সন্মুখীন হচ্ছে, কিন্তু আদিম মানুষের মত শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে বা সেই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে এই চাপকে সরাতে পারছে না। যেমন,- যে লোকটা তার অফিসের ঊর্ধ্বতন অফিসারের দ্বারা প্রায়ই ভর্ৎসিত হচ্ছে বা যে ছাত্র লেখাপড়ার জন্যে তার শিক্ষকের দ্বারা প্রায়ই দন্ডিত হচ্ছে– তারা এদের বিরুদ্ধে না দৈহিক শক্তি দিয়ে লড়তে পারছ, না এদের থেকে পালিয়ে বাঁচতে পারছে। ফলে এই চাপ তাদের মধ্যে জমা হতে থাকে । এই অবস্থায় তাদের দেহের এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত এড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়ে শরীর ও মনকে উত্তেজিত করে রাখে।

ফলে,-

  • হৃদপিন্ডের স্পন্দন বেড়ে যায়।
  • রক্তের চাপ বেড়ে যায়।
  • সঞ্চিত সুগার রক্তে মিলিত হয় দ্রুত শক্তি পাবার জন্যে।
  • পরিপাক শক্তি কমে যায়।আজকাল তাই দেখা যায় বহুলোক এই চাপ জনিত রোগে ভুগছে আর মৃত্যুবরণও করছে। বিভিন্ন রোগের কারণ চাপকে যুঝতে জৈব মনস্তত্ত্ব আমাদের গভীর ভাবে সাহায্য করে। আমরা ঘরে, বাইরের কোলাহলপূর্ণ দুষিত পরিবেশে সর্বদা বিভিন্ন ধরণের চাপের মধ্যে থাকি যা আমাদের মনে একটা চাপা উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এই মানসিক উত্তেজনার কারণে আমাদের মনিপুর চক্রের সন্তুলন নষ্ট হয়ে যায়, ফলে এই চক্রস্থিত কষায় বৃত্তি খুব সহজেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আর এই বৃত্তি তখন অনুকূল স্নায়ুতন্তুকে উত্তেজিত করে। এই উত্তেজিত স্নায়ুতন্তু এড্রিনাল গ্রন্থিকে সক্রিয় করে তোলে, ফলে এড্রিনালিন হর্মোন নিঃসৃত হতে শুরু করে। এই এড্রিনালিন গ্রন্থিরস রক্তে মিশে শরীরকে উত্তেজিত করে ‘লড়ো নতুবা পালাও’ ভাবে সাড়া দিতে। তাই এই ধরণের অত্যধিক এড্রিনালিন রস ক্ষরণ আমাদের হঠাৎ বিপদে ছুটে চলতে শক্তি জোগায়।   চলবে————–


এ ক্যটাগরির আরো খবর..