বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (IACCC)-কে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে IACCC-এর একটি উচ্চপর্যায়ের আইনগত প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের ডেভিড টাউনসেন্ডের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার লুইস বেইনন, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির সিনিয়র ইনভেস্টিগেটর অ্যালেক্স হোড, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যানালিস্ট রাইহান রহমান এবং সিঙ্গাপুরের একজন আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার বিশেষজ্ঞ।
সাক্ষাতে বিদেশে থাকা বাংলাদেশের সম্পদ ও পাচারকৃত অর্থ শনাক্ত করে তা দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনগত জটিলতা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে এসব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় সম্ভাব্য আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার বিষয়ও উঠে আসে।
IACCC প্রতিনিধিদল আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্পদ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনগত বাধা দূর করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি তা দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে IACCCসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ গ্রহণ করছে।





