শিক্ষকরা হলেন শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অভিভাবকতুল্য; তাই প্রতিটি শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে শিক্ষাদান করার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক পাঠদানই নয়, শিক্ষার্থীদের উন্নত নৈতিক মূল্যবোধ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাও শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘শিক্ষা ব্যবস্থা : কুমিল্লা কনসেপ্ট’ শীর্ষক এক নীতি-নির্ধারণী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজ থেকে মাদকের করাল গ্রাস দূরীকরণে শিক্ষার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “মাদক সমস্যা স্থায়ীভাবে নির্মূলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।
প্রতিটি এলাকার শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে সমন্বিতভাবে মাদকবিরোধী পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার প্রধান তারেক রহমান দেশের শিক্ষা খাতের যুগান্তকারী উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছেন।
পাশাপাশি বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরাও স্বপ্রণোদিত হয়ে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুণগত মান নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছেন। এ প্রেক্ষাপটে ‘কুমিল্লা কনসেপ্ট’ রূপরেখাটি সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আলোচনা সভায় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীসহ কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





