বিশেষ প্রতিবেদকঃ ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি পাহাড়ীদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমার যৌথ স্বাক্ষরে সম্পাদিত হয় শান্তি চুক্তি। আবার আহবায়ক পদে আসীন হওয়ায় মন্ত্রীর পদমর্যাদা পেলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।
গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের স্বাক্ষরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ করার লক্ষে গঠিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি এ পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন ভাতা ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, সরকার গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির সাথে পাবর্ত চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। চুক্তির (ক) (৩) অনুচ্ছেদেরশর্ত অনুযায়ী চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ করার লক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এমপিকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর পরে ২০০৯ সালের ২৫ মে জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল।
আবার ২০১৮সালের ৮ই মার্চে পুনরায় মন্ত্রীর পদমর্যাদায় আহবায়ক পদে আসীন হলেন স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি।





