বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আঃ রউফ স্মৃতি যাদুঘরে লাইব্রেরীয়ানের চেয়ারের লোক শূন্য

মধুখালী উপজেলার মধ্যে কামারখালী ইউনিয়নে বীরশ্রেষ্ঠ আঃ রউফ এর জন্ম স্থান সালামতপুর বর্তমান রউফ নগর গ্রামে তার নামে একটি স্মৃতি যাদুঘর ও গণ গ্রন্থগার লাইব্রেরীয়ান আছে। এই যাদুঘর এবং লাইব্রেরী পরিচালনার জন্য সরকার মাষ্টার রুলে জেলা পরিষদের মাধ্যমে ৩জন লোক নিয়োগ দিয়েছেন।

এদের ৩ জনের বাড়ি সালামতপুর এবং দয়ারামপুর গ্রামে। যাদুঘর থেকে এক কি.মি দুরে এবং কিছু পথ এগিয়ে সাথেই। এরা হলেন মুন্সী সাইদুর রহমান (লাইব্রেরীয়ান) মোঃ বিপুল মোল্যা দাড়োয়ান কাম কেয়ার টেকার শ্রী মিলটন কুমার বিশ্বাস খন্ডকালীন ঝাড়ুদার এর মধো লাইব্রেরীয়ান মুন্সী সাইদুর রহমান ঠিকমতো অফিসে যায় না এবং ঠিকমত অফিস করেনা।

বেশির ভাগ সময় দাড়োয়ান কাম কেয়ার টেকার দিয়ে অফিস খুলে রাখেন। আর বাইরে দুরদুরান্ত থেকে কোন লোক এলে লাইব্রেরী খুলেদিতে নাপারায় তারা কোন বই পড়তে পারে না এবং পরিদর্শন খাতাই কোন মনের কথা লিখতে পারেনা দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ফিরে চলে যান।

নাম প্রকাশে অননিচ্ছুক কিছু লোকজন বলেন তার বাড়ির সাথে অফিস হওয়ায় তিনি ঠিকমতো অফিস পরিচালনা করেনা। জেলা পরিষদের সাইনবোর্ড লাগাইয়া ডিসকাভারি মটর সাইকেল চালিয়ে বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য করে বেরান এবং কাঠের ও বালূর ব্যবসা।

লাইব্রেরীয়ান মুন্সী সাইদুর রহমান এর সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন আমার অফিসিয়াল বহু কাজ থাকে এবং আমার উচ্চ পদে লোক আছে। এহেন কথা শুনে একজন বীরমুক্তি যোদ্ধা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন জেলা পরিষদের সুদৃষ্টি থাকলে মনগড়া যেমন খুশি তেমন অফিস পরিচালনা করতে পারতেন না।

তাই সালামতপুর গ্রামবাসীও দর্শনার্থীদের দাবি এই যাদুঘর ও গণগ্রস্থগার লাইব্রেরী পরিচালনার জন্য জেলা পরিষদ থেকে নতুন লোক দেওয়া হউক আর তাহলেই বীরশ্রেষ্ঠ আঃ রউফ স্মৃতি যাদুঘর এবং লাইব্রেরীর পরিবেশ ফিরে আসবে নচেৎ দিন দিন সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে। তাই জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মুন্সী সাইদুর রহমানের বদলীর দাবি জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।