× Banner
সর্বশেষ
আইসিইউতে লড়ছেন মা,বাঁচানো গেল না গর্ভের সাত মাসের সন্তানকে জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নাগরিক সেবার কার্যক্রম দেখতে ঢাকার সড়কে প্রধানমন্ত্রী ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক; না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন-ফিটনেস ১৫ বছর আগের ১০০ টাকা ফেরত দিতে পাওনাদারের বাড়িতে বৃদ্ধ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতার দেওয়া হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী সঠিক চিকিৎসা পেলে কঠিন রোগে আক্রান্ত রোগীও সুস্থ হতে পারে – ডা. জুবাইদা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, ভর্তি ১৫৩ বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনারের স‌ঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক নতুন কুঁড়ির চ্যাম্পিয়ন কিসকুর মাকে চাকরি দেবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ভারত প্রতিনিধি

বাগবাজারে মা সারদার ধাম ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২
বাগবাজারে মা সারদার ধাম ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

কোলকাতার বাগবাজারে মায়েরবাড়ির নতুন একটি পাঁচতলা ভবন(মা সারদার ধাম) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার(৬মে) ভারতের কোলকাতা বাগবাজারে মা সারদা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বেলুড় মঠের প্রেসিডেন্ট মহারাজ স্বামী স্মরণানন্দ।

এই বাড়িটির নাম মা সারদার ধাম নামকরণ করেছেন প্রেসিডেন্ট মহারাজ। ইতিমধ্যেই বেলুড় মঠ থেকে অনুমোদিত হয়েছে মা সারদার ধামের বিল্ডিং প্ল্যান এবং তা কলকাতা পুরসভার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দু’বছরের ভেতরে এই ভবনটি তৈরি হয়ে যাবে।

বাগবাজার মায়েরবাড়ির  অধ্যক্ষ স্বামী নিত্যমুক্তানন্দ আরও জানান, এছাড়াও যাঁরা শারীরিকভাবে অক্ষম বা প্রতিবন্ধী তাঁদের জন্য এই ভবনের একতলায় বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে। যাতে তাঁরাও কোনওভাবে বঞ্চিত না হন।

মায়েরবাড়ির অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী নিত্যমুক্তানন্দ জানান, এই প্রস্তাবিত ভবনটি মায়ের সন্তান এবং ভক্তদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে। বাগবাজারের মায়েরবাড়িটি রামকৃষ্ণদেবের শিষ্য স্বামী সারদানন্দ করেছিলেন। পরবর্তীকালে উদ্বোধন নামে বাড়িটি উদ্বোধন করেন স্বামী বীরেশ্বরানন্দ ১৯৬৩ সালে। এই নবনির্মিত বাড়িটি হলে মায়েরবাড়ির সঙ্গে যোগ করা হবে। দিনকে দিন দেশবিদেশে মায়ের সন্তানরা সংখ্যায় বাড়ছে। তাঁরা মায়েরবাড়িতে আসলে থাকতে চান এবং প্রসাদ পেতে চান।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের বিভিন্ন কেন্দ্রের সন্ন্যাসী এবং ব্রহ্মচারীরা। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে এবং বিশেষ পূজার মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

যেহেতু মায়েরবাড়ি খুব ছোট, তাই মানুষকে বসে ভোগপ্রসাদ খাওয়ানোর জন্য অসুবিধার সম্মুখীন হতে হতো। এখন থেকে সেই সমস্যা আর হবে না। এখানে একসঙ্গে ৫০০ জন প্রসাদ গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়াও সন্ন্যাসীদের প্রসাদ গ্রহণের জন্য আলাদা ঘর থাকবে এবং বাইরে থেকে যাঁরা আসবেন, তাঁদের বসার এবং প্রসাদ গ্রহণ করার আলাদা ঘর থাকবে। এর পাশাপাশি একটি গ্রন্থাগার তৈরি করা হবে। গ্রন্থপ্রেমী মানুষরা ঠাকুর, মা ও স্বামীজি এবং বিভিন্ন মহারাজদের লেখা বই এই গ্রন্থাগার থেকে পড়তে পারবেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..