ঠাকুরগাঁওয়ে আমের মুকুল ফুটছে, গ্রামের সৌন্দর্য্য বাড়ছে

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:আমগাছে গুটি গুটি মুকুল ধরেছে। মিষ্টি এক গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। জানিয়ে দিচ্ছে সামনেই পাকা আমের মওসুম। বসন্তের ফুলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাতাসে সৌরভ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল।

প্রকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরা আমাদের ছয় ঋতুর দেশ, বাংলাদেশ। পাতা ঝড়া ষড়ঋতুর রাজা বসন্ত ঋতু। আবহমান বাংলার সৌন্দর্যের রাজা বলে পরিচিত এই বসন্তকাল।

ফালগুন-চৈত্র মাসে বসন্তের শুস্ক আবহাওয়ায় যতদূর চোখ যায় শুধুই সবুজের সমাহার। দেখে মন জুড়িয়ে যায়। আর এরই সাথে ছড়িয়ে পড়েছে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। জেলার চাষযোগ্য জমির আইল, বসতভিটায়, বিভিন্ন অফিস আদালত চত্বরে, সরকারি বেসরকারি পরিত্যক্ত ভূমি ছাড়াও

এ অঞ্চলের অনেকেই বানিজ্যিকভাবে ছোট-বড় আম বাগান গড়ে তুলেছেন। গত মৌসুমের তুলনায় এবার প্রাকৃতিক আবহাওয়ার ভারসাম্য ঠিক থাকায় সিংহভাগ আম গাছে প্রত্যাশিত মুকুল এসেছে। ধারনা করা হচ্ছে, প্রাকৃতিক আবহাওয়ার কোন দুর্যোগ না ঘটলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষি সচেতনদের অভিমত।

এখনো তেমন আমের মুকুল বিনষ্টের মত প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা যায়নি। গাছে-গাছে মুকুলের অধিক সমাহারে সবার মাঝেই বিরাজ করছে এখন আনন্দ। গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশি আমগাছে এসেছে আমের মুকুল।

গ্রামে গ্রামে রয়েছে ছোট-বড় বিভিন্ন জাতের আম গাছ। মুকুল আসার পূর্বে আম গাছ মালিকরা তাদের আমের গাছের যত্ম নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকেন।

আম বাগানের মালিক জনি ও গফফার সহ আরও অনেকে জানান, এবার আবহাওয়া অনুকুল থাকলে আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে বসতবাড়ীর চারপাশ ছাড়াও দন্ডায়মান আম গাছে মুকুল থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত গাছের আম যাতে কোন কারণে বিনষ্ট না হয় সেজন্য কৃষি বিভাগের সার্বক্ষনিক সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে এবং কৃষকদের বহুমুখী পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।