× Banner
সর্বশেষ
ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল: ফ্রান্স-স্পেনে লাখো মানুষ ঘরছাড়া, জরুরি অবস্থা ও ব্যাপক উদ্ধার অভিযান আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের আদি ফসল কাউন যব ঢেমসি বিলুপ্তির পথে

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২
কাউন যব ঢেমসি বিলুপ্তির পথে

আশানুরূপ ফলন ও দাম না পাওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে আদি ফসল কাউন, যব ও ঢেমসি। এক সময় ব্যাপক ভাবে আবাদ হয়েছিল এ জেলায় । এখন আর  ওই সব ফসল চাষের প্রতি  কৃষকের আগ্রহ নেই। হাতে গোনা কয়েকজন কৃষক কাউন, যবের চাষ করছেন। তবে ঢেমসির আবাদ বিলুপ্তপ্রায়।
কৃষি বিভাগ জানায়, কাউন জৈষ্ঠ্য মাসে উঠে। যব উঠে গমের মৌসুমে। আর শীতের শেষে চাষ হয় ঢেমসির। সব ধরণের জমিতে চাষ হয় এসব ফসল। এ বছর জেলায় ২ হেক্টর জমিতে কাউনের আবাদ হয়েছে। জানা যায়, জেলার হাট-বাজার গুলোতে এখনও প্রতিকেজি কাউনের চাল বিক্রি হচ্ছে ১শ থেকে ১২০ টাকা দরে। ভোজন বিলাসীরা পায়েস, পিঠা ও নাড়– তৈরির জন্য কিনছেন এই দানাদার খাদ্যশস্য। যবের ছাতু বিক্রি হচ্ছে ২শ টাকা কেজি দরে। এর ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা যায়।
সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের সেন্টার হাট গ্রামের কৃষক সোহরাব হোসেন জানান, কাউন, যব ও ঢেমসির আবাদ করেছিলেন তিনি। ওই সব  আদি ফসলের আবাদ থেকে তিনি সরে এসেছেন। এখন তিনি ধান, পাট, আখ, ভুট্টা, গম ও সবজির চাষ করছেন। সময় মত আখের মুল্য না পাওয়ায় আখ চাষও তিনি ছেড়ে দিয়েছেন।
সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের মুজাবর্নি গ্রামের কৃষক ফজলে রাব্বি ফজলু জানান, কৃষিতে এখন খরচ বেশি। একদিকে বৈরী আবহাওয়া, অন্যদিকে শ্রমিকের মজুরি বেশি । তার উপর কৃষি উপকরণের মুল্য দিন দিন বাড়ছে। তাই কৃষক লাভজনক ফসল চাষে ঝুকছেন বেশি।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন বলেন, কৃষির আধুনিকীকরণ ও উচ্চ ফলনশীল জাত  উদ্ভাবনের ফলে লাভজনক শস্য উৎপাদন করছে কৃষকেরা । তবে কাউন, যব ও ঢেমসি চাষের  গুরুত্ব স্বীকার করে বলেন, কাউন চাষে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়।  আদি  ফসল গুলো খরাসহিঞ্চু, রোগবালাই ও কীটপতঙ্গমুক্ত। কাউনের চালের ভাত, পায়েস, পিঠা ও নাড়– খেতে সু-স্বাদু। যবের ছাতু ও ঢেমসির চালের ভাত-খৈ পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ। এ জাতীয় ফসলের বৈচিত্র ধরে রাখতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে বলে জানান তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..