আরিফ মোল্ল্যা, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ এক সময় যে কালীগঞ্জ মাদকের আকড়ায় পরিণত হয়েছিল, দেশের মাদক ব্যবসায়ীরা কালীগঞ্জ শহরকে মাদকের ট্রানজিড হিসাবে ব্যবহার করতো,শহরের বিভিন্ন এলাকায় এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা মাদকের ছোট-বড় অনেক স্পটও গড়ে তুলেছিল আজ সেই কালীগঞ্জ অনেকটায় মাদকমূক্ত। আর এটা সম্ভব হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সংবাদকর্মী ,সর্বোপরি জনসাধারনের সার্বিক সহযোগীতায়।
আজ রোববার সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ মেইন বাসস্ট্যান্ডের মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস সমিতি, মোচিক সমবায় সমিতি ও কালীগঞ্জ পৌর মহিলা সমিতির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ।
অনুষ্ঠানে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূবর্ণা রানী সাহা, মোচিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ আলী শিকদার, ঝিনাইদহ মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আজিজুল হক, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলী, সিবিএ নেতা গোলাম রসুল, ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ূব হোসেন,কালীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আশরাফুল আলম, জেলা পরিষদ সদস্য মোদাচ্ছের আলী, জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিঠু মালিথা, পৌর মহিলা সমিতির নেত্রী মিনা রানী ভট্রাচার্য প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমপি আনার আরও বলেন,কালীগঞ্জ শহরের সব থেকে বড় মাদকের স্পট ছিল আড়পাড়ার ব্রিকফিল্ড এলাকায়। সেখান থেকে মাদক নির্মূল করে গড়ে তোলা হয়েছে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। আজ সেখানে কালীগঞ্জের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করছে। এরপর থেকে কেউ কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কারেরও ঘোষনা দেন তিনি।
তিনি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশ আ’লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে মাদক ও জঙ্গিবাদমুক্ত দেশ গড়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। কাজেই তার সে ঘোষনা বাস্তবায়ন করতে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।





