কালীগঞ্জে ধর্ষিতার দায়ের করা মামলার তদন্ত বাধাগ্রস্থের অভিযোগ মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে আসামিরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পঁচিশোর্ধ এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে গত ১ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত জন্য উপজেলা মৎস কর্মকর্তার উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে।

ধর্ষিতার ভাই আমিনুর রহমান জানান, গত ৯ মার্চ মৎস কর্মকর্তা ঘটনাটির তদন্ত করতে তাদের বাড়িতে গেলে সেখানে আসামি পক্ষ জড়ো হয়ে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। হট্টগোল চালিয়ে তদন্ত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য গত  গত ১ ফেব্রুয়ারি বাবরা গ্রামের মৃত মনিরুদ্দীন মন্ডলের মেয়ে (ধর্ষিতা নারী) কে উপজেলার বাবরা গ্রামের ধর্ষক মৃত সাত্তার মন্ডলের ছেলে আকমল হোসেন (৩০) আনছার বিশ্বাসের ছেলে মিন্টু বিশ্বাস (৩০), বাবর আলীর ছেলে মোহর আলী (৩০) ও আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিলন (২৭) সহ ৪ জনকে আসামি করে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলায় ৪ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানাগেছে, গত ২৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬ টার দিকে ধর্ষিতা নারী বাবরা গ্রামের উত্তর পাড়ায় ধর্ম সভা শুনতে যায়। ধর্ম সভা শুনে রাত আনুমানিক ৯ দিকে বাড়ি ফেরার পথে বাবরা গ্রামের সাত্তার ম-লের ছেলে আকমল হোসেনসহ অপরিচিত ২/৩ জন তাকে গ্রামের একটি মেহগুনি বাগানের মধ্যে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গামছা দিয়ে মুখ বেধে ধর্ষণ শেষে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়।

বর্তমানে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামি পক্ষ ধর্ষিতা ও তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে বাদির পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, আদালত অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।  গত ৯ মার্চ তিনি তদন্তের জন্য মেয়েটির বাড়িতে যান। তিনি জানান, ঘটনা যেটিই ঘটুক না কেন তা বেরিয়ে আসবে। আসামি পক্ষ তদন্ত কার্যক্রমে বাধার বিষয়ে তিনি জানান, উভয় পক্ষ সেখানে থাকায় একটু হট্রগোল হয়েছিল।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।