× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

এবারো ৭ অ্যাথলেট রিও থেকে ফিরছেন খালি হাতে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৬

স্পোর্টস ডেস্কঃ এবারেও রিও থেকে খালি হাতে ফিরলেন ৭ অ্যাথলেট। পদক অর্জন নয়, বাংলাদেশের অলিম্পিক মিশন সব সময়ই সীমাবদ্ধ থাকে শুধুমাত্র অংশগ্রহণের মধ্যেই। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বাংলাদেশের ৭ অ্যাথলেট এবারো রিও থেকে ফিরছেন খালি হাতে।

বিশেষ বিবেচনায় নয়, সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করা বাংলাদেশের গলফার সিদ্দিকুরও অন্য সব প্রতিযোগীর মতোই করেছেন হতাশ। আর, শ্যুটিংয়ে বাকি, সাঁতারে সাগর-সোনিয়া, স্প্রিন্টে মেজবাহ-শিরিন ও আর্চারিতে শ্যামলীরাও সীমাবদ্ধ ছিলেন অভিজ্ঞতা অর্জনের মধ্যেই।

বাংলাদেশের অলিম্পিকে অংশগ্রহণটা নতুন কিছু নয়। ১৯৮৪ সাল থেকেই বিশেষ বিবেচনার বদৌলতে এই সুযোগটা পেয়ে আসছে বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা। তবে, পদক জয়তো দুরের কথা সামান্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইমেজ ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ এ দেশের প্রতিযোগীরা। এবারের রিও অলিম্পিকেও সেই ধারাবাহিকতার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

এবারের অলিম্পিকের মার্চ পাস্টে দেশের পতাকার মতো ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নটাও ছিলো সিদ্দিকুর রহমানের হাতে। গলফে অলিম্পিক র‌্যাংকিংয়ের ৫৬ তম হওয়ায় সুযোগ পেয়েছিলেন সরাসরি রিও’তে খেলার। কিন্তু, ইভেন্ট শেষে ৬০ জনের মধ্যে ৫৮ তম থেকেই তাকে শেষ করতে হয়েছে এবারের আসর।

ব্যর্থতার মিছিলে আরো একটি নাম শ্যুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি। নিজের প্রিয় ইভেন্ট ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে বাছাইয়ে ৬২১ দশমিক ২ স্কোর গড়ে ৫০ জনে হয়েছেন ২৫ তম। নিজের সেরা স্কোর ৬২৪ দশমিক ৮ও স্পর্শ করতে পারেনি বাকি।

নারীদের আর্চারীতে শ্যামলী রায়ও ধরে রাখেন ব্যর্থতার ধারা। রিকার্ভ বো ইভেন্টে প্রথমে ৬৪ জন প্রতিযোগীর মাঝে ৬০০ পয়েন্ট নিয়ে হন ৫৩ তম। এরপর, সেরা ৩২ এ যাবার লড়াইয়ে মেক্সিকোর গ্যাব্রিয়েলা বায়ার্দোর কাছে ৬-০ পয়েন্টে হেরে শোচনীয়ভাবে ধরাশায়ী হন শ্যামলী।

পুরুষদের সাঁতারে নিজের প্রিয় ইভেন্ট ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলে নিজের সেরা টাইমিংটাই করেছেন মাহফিজুর রহমান সাগর। আগের সেরা টাইমিং ২৩ দশমিক ৯৯ সেকেন্ডকে পেছনে ফেলে এবারের আসরে ২২ দশমিক ৯২ সেকেন্ড টাইমিং করে ৮৫ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ৫৪তম হন তিনি।

নারীদের ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলে অবশ্য দারুণ ঝলক দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশের সোনিয়া আক্তার। নিজের হিটে হয়েছিলেন তৃতীয়। আর ২৯ দশমিক নয় নয় সেকেন্ড সময় নিয়ে করেছিলেন ক্যারিয়ার সেরা টাইমিংটাও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৮৮ জনের মাঝে হয়েছেন ৬৯ তম।

অ্যাথলেটিক্স ট্রাকেও সেই একই গল্প। নারীদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে এই ইভেন্টে ১২ দশমিক নয় নয় সেকেন্ড সময় নিয়ে ২৪ জনের মধ্যে ১৭ তম হয়েছেন বাংলাদেশের এই দ্রুততম মানবী। যা কিনা তার ক্যারিয়ার সেরা টাইমিংয়ের চেয়েও ১ সেকেন্ড বেশি। আর, পুরুষদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের প্রাক বাছাইয়ে ১১ দশমিক তিন-চার সেকেন্ড সময় নিয়ে ১৪ তম হন মেজবাহ। যা তার ক্যারিয়ার সেরা টাইমিংয়ের চেয়েও শূন্য দশমিক ৬২ সেকেন্ড বেশি।

অ্যাথলেটদের এই ব্যর্থতার দায়ভার অবশ্য তাদের নয়। অনেকাংশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই দায়ী। আর, সেকারণেই রিওতে যাবার আগেই নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন আক্ষেপও ছিলো তাদের।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..