আজ ২৬ জানুয়ারি, ভারতের ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্টে স্বাধীনতা লাভের পর গণপরিষদে ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ সালে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ঠিক ২ মাস পরে ২৬ জানুয়ারী ১৯৫০ সালে ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংবিধান কার্যকর করা হয়। এই দিনে, ভারতকে একটি পূর্ণ প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়েছিল। দিল্লির নবরূপে সজ্জিত কর্তব্যপথে কুচকাওয়াজের পাশাপাশি দেশজুড়ে হবে প্রজাতন্ত্র দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠান।
ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “দেশ এখন অমৃতকালের সূচনায় রয়েছে। এটা পরিবর্তনের সময়। দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি আমরা। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রত্যেক নাগরিকের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।”
সমাজের উন্নয়নে ও জনকল্যাণে কার্পুরি ঠাকুরের অবদানের কথা উল্লেখ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। একইসঙ্গে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন দেশের জন্য ‘ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, “চলতি সপ্তাহের গোড়ায় আমরা নতুন রাম মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হতে দেখেছি, যা ঐতিহাসিক।”
মহিলাদের অগ্রগতির কথাও সংসদের মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের বিষয়টিও এদিন সাধারণতন্ত্রের ভাষণে তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। মহিলাদের ক্ষমতা প্রদানব শাসন প্রক্রিয়াকে আরও ভাল করতে সাহায্য করবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া দেশের বিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি জানান, দেশ এক উচ্চ পর্যায়ে আসীন হয়েছে।
সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে গোটা দেশে এখন জোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। তার উপর নিরাপত্তার একটা বিষয় থেকেই যাচ্ছে। সকালে রেড রোডে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ হবে। তাই সাজ সাজ রব উঠেছে। রাজধানী নয়াদিল্লির বুকে চলছে রাজকীয় মহড়া। ২০২৩ সালে সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিস, হোম গার্ড এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের জন্য রাষ্ট্রপতির পদক ঘোষণা করা হয়।





