× Banner
সর্বশেষ
চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকে অভিনন্দন জানা‌লো বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় দ্যা নিউজ ডটকমের সড়কের আগাছা পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শার্শার গোগায় ট্রাক্টর ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ মালয়েশিয়া সীমান্তে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ৭৩ জন আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

সালথায় খেজুরের রস উৎপাদন শুরু

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ৬ ঋতুর দেশ। হেমন্ত শেষে এসে পড়েছে শীত। এই শীত মৌসুমে দেশের মধ্যে খেজুর রসের জন্য বিখ্যাত ফরিদপুর অঞ্চল। এর মধ্যে সালথা উপজেলায় খেজুর রস উৎপাদনের জন্য গাছীরা তাদের খেজুর রস বের করার কাজ শুরু করেছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গট্টি, আটঘর, রামকান্তপুর, ভাওয়াল, সোনাপুর, মাঝারদিয়া, যদুনন্দী ও বল্লভদি এই ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে ইতিমধ্যেই রস উৎপাদনের জন্য খেজুর গাছ কাটা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত একজন গাছি ১৫ থেকে ২০টি খেজুর গাছ থেকে রস বের করছেন। এই রস দিয়ে উন্নত মানের গুড় তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে অভাব পূরণ করবে গাছিরা। অন্যদিকে খেজুর রস উৎপাদনের পর থেকে এই এলাকার প্রায় বাড়িতে জামাই-মেয়ে, নাতী-পুতি ও আত্মীয়স্বজনদের ভীড় পড়বে। পাশাপাশি খেজুর রস ও গুড়ের বিভিন্ন ধরনের পিটা তৈরির ধুম পড়ে যাবে। শুধু তাই নয়’ শীতের সকালে কৃষক মাঠে যাওয়ার আগে এক গ্লাস ঠান্ডা খেজুরের রস মূখে পুরে মাঠে যাবেন। দুপুরে বাড়িতে এসে অন্য খাবারের সাথে খেজুর গাছের কাচা রসের তৈরি মিষ্টি আবার খাবেন।

উপজেলার কয়েকজন গাছি এপ্রতিনিধিকে জানান, খেজুর রসে এই অঞ্চলের মানুষের চাহিদা পূরণ করার পর, রসের তৈরি টাটকা গুড় দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে। এতে যে অর্থ আসে তাতে একজন গাছির সংসার ভাল মতো চলে। কোন অভাব অনটন থাকে না। গাছিরা আরো জানান, ৩মাস অর্থাৎ শীতের শুরু থেকে বসন্ত মৌসুমের প্রথম দিক পর্যন্ত একটি খেজুর গাছ থেকে রস উৎপাদন করা সম্ভব হয়, যদি সেটি নিয়মনুযায়ী পরিচর্যা করা যায়। এবছরের আবহাওয়া গাছের অনুকুলে রয়েছে, তাই আগের চেয়ে এ মৌসুমে অনেক রস উৎপাদন হবে বলে আমরা আশা করছি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..