× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই নতুন ভারতের জাতীয়তাবাদ ও ডিপস্টেটের চক্রান্ত: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ

স্বাধীনতা বিরোধীরা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৯ জুন, ২০১৬

বিশেষ প্রতিবেদকঃ গণমানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে কোনঠাসা হয়ে স্বাধীনতা বিরোধীচক্র দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য গুপ্তহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। সরকার এ ধরনের হত্যা ও নৈরাজ্য প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে, বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি।

বুধবার কাকরাইলস্থ আইডিইবি ভবনে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ আয়োজিত ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করতে গণসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন।

পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী এ কে এম আব্দুল মোতালেবের সভাপতিত্বে আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, আইডিইবির সভাপতি এ কে এম এ হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুর রহমান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, গুম, খুনের সাথে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে একবিন্দু ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিয়ে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে।

দেশে কোনো জঙ্গি বা আইএসএস নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশী বিদেশী আন্তর্জাতিক চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করে নিজেদের স্বার্থ লুপে নিতে তৎপর রয়েছে। গণমানুষের সংঘবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমে সরকার এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ করতে চায়। এর জন্য সব শ্রেণী পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করে তিনি গণমানুষের সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়।

মূল প্রবন্ধে মেজর জেনারেল আব্দুর রশিদ বলেন, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য গণসচেতনা সৃষ্টির গুরুত্ব অপরিহার্য। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের দানবীয় থাবার ভয়ানক ফলফল জনগণের মাঝে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে উল্লেখ করে প্রবন্ধে বলা হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ এবং মানবিক দর্শন শিশু মনে গেঁথে দিতে হবে। ধর্মীয় অপব্যাখ্যাকে পুঁজি করে স্বাধীনতা বিরোধীচক্র জঙ্গি কার্যক্রমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করছে। জঙ্গি মতাদর্শের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মদদদাতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে পারলে জঙ্গি উন্মাদনা দমে আসবে।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, রগ কাটা থেকে শুরু করে প্রতিটি উগ্রপন্থার পেছনে জামায়াত শিবির জড়িত। দেশের সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যা ও খুনের মোটিভ বিশ্লেষণে এই অপশক্তি সরাসরি জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ দানবীয় শক্তি রুখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আইডিইবির সভাপতি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ সব ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একক জাতিসত্তা নির্মাণ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ শক্তিকে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত জাতির সামনে স্থাপন করতে হবে। ব্যক্তিগত লাভ ক্ষতির হিসাবে রাজনীতির অঙ্গন যেভাবে কুলষিত হচ্ছে, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সেটি পরিহারে মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..