× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও
শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও

মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও বোনাস না পাওয়ায় শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেছে দপ্তরিরা। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেনের কার্যালয় ঘেরাও করেন তারা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরিরা জানান, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে সদর উপজেলার ৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। প্রতিমাসে ১৬ হাজার ৬শ’ ৭৩ টাকা বেতন পেয়ে আসছেন তারা। পাচ্ছেন বৈশাখী ভাতা ও বছরে দুটি ঈদ বোনাস। সেই হিসেবে গত বৈশাখী ভাতা ৩ হাজার ৩শ’ ৩৬ টাকা ও ঈদ উল আযহার উৎসব ভাতা ৮ হাজার ৩শ’ ৩৪ টাকা করে দেয়ার কথা প্রত্যেক দপ্তরিকে। কিন্তু ৫৬ দপ্তরির কেউই এই ভাতা ও বোনাস পাননি। বেশ কয়েকবার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোন আলোর মুখ দেখেনি। ফলে বাধ্য হয়ে নায্য দাবি নিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেন তারা। পরে দুপুর ২টার দিকে কর্মকর্তার আশ^াসে স্থান ত্যাগ করেন দপ্তরিরা।

মাদারীপুর সদর উপজেলার দপ্তরি কল্যাণ সমিতির সভাপতি ইমারত হোসেন জানান, ‘সামান্য বেতন পায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত দপ্তরিরা। বছরে সরকার প্রদেয় ভাতা ও বোনাস না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উৎসব আনন্দে কাটাতে পারেনি। তাই জরুরিভিত্তিতে এই বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মৃধা বলেন, ‘মাদারীপুর জেলার অন্যান্য উপজেলার দপ্তরিরা এই উৎসব ভাতা ও বোনাস পেয়েছে। কিন্তু সদর উপজেলার দপ্তরিরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমরা আমাদের নায্য পাওনা দেয়ার অনুরোধ করছি।’

মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ মুহাম্মদ ইমরাত হোসেন জানান, ‘একদিকে বরাদ্দ নেই, অন্যদিকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকায় উৎসব ভাতা ও বোনাস দেয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আবারও চিঠি দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে পাওয়া জবাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..