× Banner
সর্বশেষ
নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ বাড়াতে আইওএমের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ ১৫ টাকা কেজিতে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার: খাদ্য মন্ত্রণালয় ডিএমপির অভিযানে ৪১৯ গ্রেপ্তার, ৭১ মামলা প্রথমবার এমপিও শিক্ষকদের বদলি শুরু দেশের ৫ জেলায় বন্যার ঝুঁকি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সতর্কবার্তা বেনাপোলে গণসংযোগে ইমদাদ, লক্ষ্য উন্নয়ন ও নিরাপদ ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর প্রথমবার সরাসরি গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা: ৫ আগস্ট বক্তব্য দেওয়ার ঘোষণা “জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা দেশের মালিক নন, জনগণের সেবক” : ভূমি প্রতিমন্ত্রী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা চিরস্মরণীয়: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে ইসলামোফোবিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার ধর্মীয় রাজনীতি: একটি বিশ্লেষণ

নড়াইলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খেজুর সন্ন্যাসী পূজা

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

উৎসবমুখর পরিবেশ ও ভিন্নধর্মী আমেজের মধ্য দিয়ে নড়াইলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খেজুর সন্ন্যাসী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নড়াইলের বিভিন্ন গ্রামসহ এলাকায় ‘খেজুরের কাঁদি’ পাড়ার এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ন্যাসীরা তন্ত্র-মন্ত্র ও বন্দনার মাধ্যমে খালি পায়ে খেজুর গাছের চূড়ায় উঠে অক্ষত অবস্থায় খেজুর নিয়ে নিচে নেমে আসেন। তন্ত্র-মন্ত্রের কারণে কাঁটা ফোটে না এমনই বিশ্বাস তাদের।গ্রাম বাংলার এই খেজুর সন্ন্যাসী পূজা ঘিরে এ এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের আমেজ সৃষ্টি হয়। নড়াইলের বিভিন গ্রামের সন্ন্যাসীরা, নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়কে, জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছরের চৈত্র মাসের শেষ দিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ পূজা-অর্চনা করে থাকেন।

একটি খেজুর গাছকে ঘিরে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে একটি খেজুর গাছের চারিদিকে ১০/১২ জন সন্ন্যাসী ঢাক-ঢোলের তালে তালে ঘুরতে থাকেন। তবে প্রতিবছরের ন্যায় এবার আমাদের এলাকায় খেজুর সন্ন্যাসীর সংখ্যা বেশি। ৩০ জন সন্ন্যাসী এবার এই পূজায় অংশগ্রহন করবে। তারা পড়তে থাকেন বিভিন্ন মন্ত্র-তন্ত্র। ঘুরতে ঘুরতে এক সময় দ্রুত গতিতে খেজুর গাছ বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করেন।

একটি খেজুরগাছে অন্তত ৫/৬ জন সন্ন্যাসী খেজুরের কাঁদি পাড়তে গাছে ওঠেন। পুণ্যের আশায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এই খেজুর সন্ন্যাসী পূজা করে থাকেন। এই খেজুর খেলেও পুণ্য হয়। সেই আশায় গাছ থেকে খেজুর পাড়ার পর কাঁচা খেজুর অনেকে খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার বাড়িতে নিয়ে ঘরে রেখে দেন। খেজুর সন্ন্যাসী পূজা ঘিরে পরের দিন সকাল থেকে মেলার আয়োজন করা হয়। মেলা শেষে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..