দুলাল পাল-স্টাপ রিপোর্টার: ধামরাইয়ে উপজেলা এক গৃহবধূ জ্যোৎস্না রাণী পাল তার স্বামী সূধীর পাল(গৌরাঙ্গ পাল), দেহ ব্যবসায়ী কাজলি ও তার পরিবারের সকল লোকজনেরা চালাচ্ছে প্রতিদিন অমানসিক নির্যাতন এবং তার স্বামীর বাড়ি থেকে তাকে ষড়যন্ত করে, তাকে হত্যার চেষ্টা এবং বাড়ি থেকে বের করে দেবার চেষ্টা দিনের পর দিন চালাচ্ছে ও কিছু দিন আগে ঐ গৃহ বধূ জ্যোৎস্না রাণী পালকে বিষ খাওইয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা। এলাকার লোকজনেরা ঐ গৃহবধূকে ওদ্ধার করিয়া ধামরাই ইসলামপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে গৃহবধূর পেট থেকে বিষ বের করে,কিন্তু আস্তে আস্তে সে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঐ মহিলাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তী করা হয়।
সুস্থ হওয়ার পর ঐ মহিলা তার স্বামীর নিজ বাস ভবনে ফিরে আসে। কিন্তু ঐ পরিবারের লোকজনেরা ষড়যন্ত করিয়া জ্যোৎস্না রাণী পালের যাবতীয় ভরণপোষন বন্ধ করিয়া দেয়। মাঝে মাঝে ঐ গৃহবধূকে তার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা তার গলাতে কাপড় দিয়ে বেঁধে তার শ্বাসরোধ করে তকে হত্যার চেষ্টা করে এবং তার স্বামী সূধীর পাল তাকে না জানিয়ে কাজলি নামে দেহব্যবসায়ীকে বিয়ে করে। তার পর শুরু হয় ঐ গৃহবধূর উপর অমানসিক নির্যাতন। ঢাকা জেলা ধামরাই থানার হাটি পাড়া গ্রামের অশ্বিনী সরকারের একমাত্র আদরের মেয়ে ছিলেন এই জ্যোৎস্না। ৪০ বছর পূর্বে একই জেলা ধামরাই থানার নান্নার গ্রামের মৃত-জগদীশ চন্দ্র পাল এর তৃতীয় পুত্র গৌরাঙ্গ পাল(সূধীর পাল), এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু সূধীর পাল, দেহব্যবসায়ী কাজলি ও সূধীর পালের বড় বোন মিনু রাণী রায় এর ছেলে বিশ্বনাথ রায় এবং বিশ্বনাথ রায় এর স্ত্রী কবিতা রাণী রায়, এবং সূধীর পালের মেজ ভাইয়ের বউ রুমা রাণী পাল গং সহ সকল সদস্যরা মিলে ঐ গৃহ বধূ জ্যোৎস্না রাণী পালকে চালাচ্ছে অমানসিক নির্যাতন, ঐ গৃহবধূ জ্যোৎস্না রাণী পাল সরকারী প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।




