× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই নতুন ভারতের জাতীয়তাবাদ ও ডিপস্টেটের চক্রান্ত: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ

তামাকের ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন মেহেরপুরে চাষিরা

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৬

মেহের আমজাদ, মেহেরপুর:ধান, গম সহ অন্যান্য খাদ্য শষ্য চাষে ক্রমাগত লোকসানের কারনে মেহেরপুরে দিন দিন তামাক চাষ বাড়ছে। তামাক কোম্পানিগুলোর লোভনীয় সুবিধা পেয়ে তামাক চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে চাষিরা। তবে তামাক কোম্পানিগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তামাকের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে চাষিরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় চলতি মৌসূমে তামাক চাষ হয়েছে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে। তামাক চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে কোন নীতিমালা না থাকায় এবং পর পর কয়েক মৌসুমের আবাদে লোকসান গুণে আর্থিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে মেহেরপুরের চাষিরা।

ফলে ক্ষতিকারক জেনেও তামাক কোম্পানিগুলোর দেয়া সুবিধা পেয়ে অধিক লাভের আশায় তামাক চাষের দিকে ঝুঁকেছে তারা। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে তামাক পোঁড়ানের কাজ। তবে তামাকের ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন চাষিরা। কোম্পানিগুলো বেধে দেওয়া তামাকের মূল্য ১৩০ থেকে ১৪২ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও চাষিদের কাছে থেকে তামাক কেনার সময় ৮০ থেকে ৯০ টাকা মূল্যে তামাক কেনা হয়।
মেহেরপুর সদর উপজেলার বন্দর গ্রামের তামাক চাষি রেজাউল করিম জানান, ধান, গম, পাট সহ অন্যান্য সব আবাদে লোকশান হওয়ায় আমরা তামাক চাষ করে থাকি, এ চাষে এক সাথে টাকা পাই তাই এই আবাদটা আমরা করি। এ চাষে লোকশান কম।
মেহেরপুর গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামের তামাক চাষি হাফিজুল জানান, মাঠের পর মাঠ তামাকের আবাদ হয়েছে। আমরা রাত দিন পরিশ্রম করে তামাকের ন্যায্য মূল্য পাই নি। কোম্পানিগুলোর কাছে তামাক বিক্রি করতে নিয়ে গেলে তারা বড় বড় ব্যবসায়ীদের ন্যায্য মূল্য দেয় কিন্তু চাষিদের ন্যায্য মূল্য দেয় না। গ্রেড অনুযায়ী কোম্পানিগুলো বেধে দেওয়া তামাকের মূল্য ১৩০ থেকে ১৪২ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয় কিন্তু চাষিদের কাছে থেকে তামাক কেনার সময় ৮০ থেকে ৯০ টাকা মূল্যে তামাক কেনা হয়।
মেহেরপুর সদর উপজেলার ঝাওবাড়ীয়া গ্রামের তামাক চাষি বাবলু জানান, আমরা অন্য কোন আবাদে লাভবান হলে এই চাষ আমরা করতাম না উপায় না পেয়ে আমরা এই চাষ করি। বাড়ীর সবাইকে এই তামাকের পিছনে শ্রম দিতে হয়।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এস এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তামাক কোম্পানিগুলো চাষিদের বিভিন্নভাবে সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে যেটা দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি। তামাক কোম্পানিগুলো এ ধরনের সুবিধা না দিলে চাষিরা এ চাষ থেকে বিরত থেকে লাভজনক সবজি এবং ফলবাগান করে তারা লাভবান হবেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..