× Banner
সর্বশেষ
ধর্ম নয়, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার আগে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও

ডেস্ক

কদমবাড়ি মেলা এখন লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
কদমবাড়ি মেলা

মাদারীপুরের রাজৈরের কদমবাড়িতে শুরু হয়েছে গনেশ পাগলের চারদিনব্যাপী মেলা। এবার মেলায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষের সমাগমের টার্গেট করেছে আয়োজকরা।

আজ ২৮ মে বুধবার শুরু হয়েছে এ মেলা। আয়োজকরা বলেন এটি বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় মেলা, যেখানে প্রতিবছর ভারত, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা থেকে সাধু-সন্ন্যাসীরা অংশ নেন।

মেলাকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার দোকান বসেছে, যেখানে সুলভ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। এতে খুশি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই। মেলার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাক-ঢোল ও কাঁসর ঘণ্টার বাজনার সঙ্গে দলে দলে ভক্তরা যোগ দিচ্ছেন গনেশ পাগলের সেবাশ্রমে। কিশোর থেকে বৃদ্ধ সব বয়সি মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। ৩৬৫ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা সেবাশ্রমে রয়েছে ১০৮টি মন্দির। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের টেকেরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে মেলার মাঠে আসা যায় খুব সহজেই।

প্রায় ১২৫ বছর আগে ১৩ জন সাধু, ১৩ কেজি চাল ও ১৩ টাকা নিয়ে শুরু হয়েছিল এ কুম্ভমেলা। এখন এটি ৩৬৫ বিঘা জমিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিসম্পন্ন আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় মিলনমেলা।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভক্তরা জানান, পূণ্য লাভের আশায় তারা এই মেলায় অংশ নেন। দূরদূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রেখেছেন আয়োজকরা, সঙ্গে কাজ করছেন কয়েকশ’ স্বেচ্ছাসেবক।

ব্যবসায়ী মনোয়ার বেপারী জানান, ‘২০-২৫ বছর ধরে মেলায় পোশাকের দোকান দিই। কয়েক লাখ টাকার বিক্রি হয়। সারা বছরের আয়ের উৎস এটিই।’

অন্য ব্যবসায়ী শুভ দেবনাথ বলেন, ‘আমার দোকানে ৫ জন শ্রমিক কাজ করেন। ভালো ব্যবসা হচ্ছে, আনন্দও লাগছে।’

সেবাশ্রম ও মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নীল রতন সরকার বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অনেক ভক্ত আগেই চলে এসেছেন। মেলার পরিধি প্রতিবছরই বাড়ছে।’

কমিটির সভাপতি জানান, ‘এক কিলোমিটার মাঠজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মেলা শেষ করতে সবাই আন্তরিক।’

রাজৈর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার ঘোষ বলেন, ‘পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তিনস্তরের নিরাপত্তার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। এছাড়া একটি কন্ট্রোল রুম ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..