× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

ডেস্ক

খেলাপি ঋণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিট পলিসি, এককালীন সমঝোতায় ঋণ নিষ্পত্তির সুযোগ

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
সার্ভারে ত্রুটিকেন্দ্রীয় ব্যাংকের-চেক ক্লিয়া‌রিং‌ বা‌তিল

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ (এনপিএল) কমানো এবং খাতটিতে তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ‘এক্সিট পলিসি’ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ নীতিমালার আওতায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এককালীন সমঝোতার মাধ্যমে খেলাপি ঋণ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন যোগ্য ঋণগ্রহীতারা।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্স কোম্পানি প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (এফসিআরপিডি) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ব্যবসা, শিল্প বা প্রকল্প ঋণগ্রহীতার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আবেদন করতে পারবেন।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঋণগ্রহীতাকে বকেয়া সম্পূর্ণ মূলধন এককালীন পরিশোধ করতে হবে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান মূলধনের কোনো অংশ মওকুফ করতে পারবে না। তবে প্রকৃত প্রয়োজন ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় সঞ্চিত সুদের পুরোটা বা একটি অংশ মওকুফের সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুনঃ বাব আল-মান্দেব প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বাড়ছে শঙ্কা

সুদ মওকুফের প্রতিটি আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগ দ্বারা পর্যালোচনা করতে হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালন বিভাগের (এইচআইসিসি) প্রধানের মতামতের ভিত্তিতে অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে তহবিলের ব্যয় (কস্ট অব ফান্ড) আদায়ের শর্তেও সীমিত শিথিলতা দেওয়া যেতে পারে।

এই সুবিধা ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন্দ’ বা ‘লোকসান’ শ্রেণিভুক্ত ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এছাড়া ৬ আগস্ট ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে পুনঃতফসিল করা ঋণও এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় আসবে।

তবে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঋণ এই এক্সিট পলিসির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে না বলে নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পমেয়াদি কৃষিঋণ এবং কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের ঋণ নিষ্পত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের চিঠি, ই-মেইল, এসএমএস বা অন্যান্য উপযুক্ত যোগাযোগমাধ্যমে এই সুবিধার বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন হামলার দাবি, হরমোজগানে নিহত ৭

ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর ৪১ ধারার আওতায় জারি করা এ বিশেষ নীতিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। দেশের কার্যরত সব ফাইন্যান্স কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ঘনীভূত হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ, আগামী ৫ দিন বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস


এ ক্যটাগরির আরো খবর..